জেএসএস নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল বাঘাইছড়ি

॥ বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি ॥

ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমার হত্যাকান্ডে জড়িত করে জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষরযন্ত্র মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা বাঘাইছড়ি শাখা।

শুক্রবার সকাল দশ ঘটিকার সময় বাঘাইছড়ি জনসংহতি সমিতির কার্যালয় স্থল বাবুপাড়া থেকে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা বাঘাইছড়ি সভাপতি সুরেশ কান্তি চাকমার নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেরকরে চৌওমুহনী মুক্তমঞ্চ প্রঙ্গণে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা বাঘাইছড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানজিৎ চাকমা, জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা বাঘাইছড়ি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জশি চাকমা, এবং পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ(এমএন লারমা) রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি সতসিদ্ধি চাকমা।

এসময় জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা দলের প্রায় শতাদিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বিগত ৩-১-২০১৮ তারিখে খাগড়াছড়ি পানখাইয়া পাড়া রোডে ইউপিডিএফ সংগঠক মিঠুন চাকমাকে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং সেই সাথে মিঠুন চাকমাকে হত্যার সাথে জড়িত সন্ধেহে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলার ও তীব্রনিন্দা এবং প্রতিবাত জানান।

সমাবেশে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা বাঘাইছড়ি শাখার সভাপতি সুরেশ কান্তি চাকমা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে একটি লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন আমরাও সকলের মত যে কোন হত্যা কাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা লক্ষ করেছিলাম এই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত তৎপরতার সহিত তদন্তকাজ চালাচ্ছে।

আমাদের আশাছিলো পুলিশ অবশ্যাই অপরাধীদের সঠিক ভাবে সনাক্তকরতে সক্ষম হবে। পরিবার মামলা করতে অপারক হওয়ায় পুলিশ বাদীহয়ে মামলাও করেছে।

কিন্তুু হঠাৎতই ৯-১-২০১৮ তারিখে অনি বিকাশ চাকমা (৩৭) পিতা তড়িৎ কান্তি চাকমা গ্রাম ভাইবোন ছড়া বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। অথচ তদন্তকারী পুলিশ এজাহারে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়দের উদৃতি দিয়ে জানাযায় মৃত মিঠুন চাকমা ইউপিডিএফ এর সংগঠক। তিনি ইউপিডিএফ এর অন্তকোন্দলনের শিকার হয়ে খুন হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

কিন্তুু পুলিশের এই প্রতিবেদন কে আড়াল করার জন্য অনি বিকাশ চাকমা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে জনসংহতি সমিতি এবং নেতাকর্মীদের ভাবমূর্তি ক্ষূণ্ন করার লক্ষে এই মিথ্যা মামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

বাদী অনি বিকাশ চাকমা তার এজাহারে উল্লেক করেছেন মামলার ২নং আসামী সুদর্শন চাকমার লাইসেন্সকরা পয়েন টুটু রাইফেল দিয়ে মিঠুন চাকমাকে গুলি করা হয়েছে অথচ সুদর্শন চাকমার কোন পয়েন টুটু রাইফেল নেই তাই এতেই প্রমাণিত হয়যে মামলাটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ভাবে হয়রানি মূলক।

তাই পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে এহেন মিথ্যা ষরযন্ত্র মূলক মামলাটি পত্যহার করার জন্য সরকার তথা প্রশাসন এর কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।