ব্রেকিং নিউজ

টানাবৃষ্টিতে নানিয়ারচরে পাহাড় ধসে নিহত-১০,বাড়তে পারে হতাহতের সংখ্যা

॥ আলমগীর মানিক ॥

রাঙামাটির নানিয়ারচরে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশংকা করছে স্থানীয়রা। রাঙামাটির ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ নীহার রঞ্জন নন্দী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের মধ্যে নয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তারা হলেন- নানিয়ারচরে বড়কূলপাড়ার একই পরিবারের তিনজন সুরেন্দ্র লাল চাকমা (৪৮), তার স্ত্রী রাজ্য দেবী চাকমা ও মেয়ে সোনালী চাকমা (০৯)। হাতিমারা গ্রামের রুমেল চাকমা (১২), রিতান চাকমা (২৫) ও রীতা চাকমা (১৭)। শিয়াইল্লাপাড়া গ্রামের ফুলদেবী চাকমা (৩২), ইতি চাকমা (২৪) ও শিশু অজ্ঞাত (২ মাস)।

এদিকে বড় হাতি পাড়া এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে বৃষকেতু চাকমা নামে এক ব্যক্তি পাহাড়ি ঢলের পানির স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয়েছে বলে জানাগেছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মঙ্গলবার সকালে নানিয়ারচর উপজেলার বড়কুল ও ধর্মচান গ্রামের পাহাড়ের অংশ ধসে পড়ে। এসময় মাটি চাপা পড়ে পাহাড়ের পাদদেশ থাকা বাড়িঘর।

এপর্যন্ত বুড়িঘাট ইউনিয়ন ও সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নের বড়কুল, হাতিরমারা, চিকন পাড়া থেকে সর্বমোট ১০ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে গ্রামবাসী। উদ্ধার কাজ চালাতে ঘটনাস্থলে রওয়ানা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নানিয়ারচরের বুড়িঘাট ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এবং সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। টানা বৃষ্টিপাতের মধ্যে এসব স্থানে সোমবার দিনগত রাতে পাহাড় ধসে পড়ে।

বড়কূলপাড়া একই পরিবারের তিনজন, হাতিমারায় তিনজন ও শিয়াইল্লাপাড়া গ্রামে শিশুসহ চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নানিয়ারচর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেছেন, আমরা পাহাড় ধসের খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। সেখানে না যাওয়া পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে বিছু বলতে পারবো না।

উল্লেখ্য, বছরের একই সময়ে রাঙামাটিতে পাহাড় ধ্বসে শতাধিক লোক নিহত হয়। এর মধ্যে ৪জন সেনা সদস্যও ছিল।