কাপ্তাইয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা

॥ কাপ্তাই প্রতিনিধি ॥

কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্নস্থানে অস্থায়ীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে প্রায় ১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র। ঝুঁকিগ্রস্থরা তাঁদের পরিবার নিয়ে আসতে শুরু করেছে আশ্রয়কেন্দ্রে। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রায় ৩শতাধিক ঝুঁকিগ্রস্থ এসেছে আশ্রয়কেন্দ্র।

ভারী বর্ষণে গত সোমবার রাত হতে এ পর্যন্ত কাপ্তাইয়ের শিল্প এলাকা, লক গেইট, চন্দ্রঘোনার মুরালীপাড়া, বারোঘোনিয়া ফার্ম এলাকা, সিনামহল এলাকা, ওয়াগ্গার মুরালীপাড়া, কুকিমারা সহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পাহাড় ধ্বস হয়েছে। আশ্রয় শিবিরে অবস্থান নেওয়ায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এখনো। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লক্ষাধিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে সকালে উপজলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ, ওয়াগ্গা ইউপি চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তনচংগ্যা সহ আরও অনেকে।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন আশ্রয় শিবিরে অবস্থান নেওয়া ছোট্ট শিশুদের চিপস বিতরণ করেন। শিশুরা চিপস পেয়ে দাড়ুন আনন্দিত হয়েছে। আশ্রয় শিবিরে আজ রাতে খিচুরি খাওয়ানো হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ঝুঁকিগ্রস্থরা আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে। আজ পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক লোক আশ্রয় শিবিরে অবস্থান নিয়েছে। তবে রাতের মধ্যে এর সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করে বলে দিয়েছি ঝুঁকিগ্রস্থদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে। যদি সরকারি নিন্দেশ কেউ অমান্য করে তাহলে তাঁদের আমি ভ্রাম্যমান আদালতে জেল দিয়ে দিবো।

কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, কাপ্তাইয়ের বিভিন্নস্থানে ব্যাপক পাহাড় ধ্বস চলমান রয়েছে।