বাঘাইছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি : তলিয়ে গেছে ৩ শতাধিক পুকুর ও ফসলি জমি

॥ মো: ওমর ফরুক সুমন ॥

ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ী ঢলের কারণে বাঘাইছড়ির কাচালং নদীর পানি বেড়েই চলেছে।  পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বন্যা পরিস্থিতিরও ব্যাপক অবনতি হতে শুরু করেছে। নতুন করে পানি বৃদ্ধির ফলে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় তিনশতাধিক  পুকুর বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে, এবং প্রায় পাঁচ হাজার একর নীচু জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে এতে মারাত্মক ক্ষতির মূখে পড়ে পথে বসতে বসেছে প্রার্ন্তিক অনেক চাষী পরিবারকে।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও নতুন নতুন মূখ যোগ হচ্ছে তাই বারছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য মতে ২০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় এক হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়মীলীগের সহ সভাপতি হাজী আব্দুস শুক্কুর মিঞা, বাঘাইছড়ি থানার (ওসি) মো: আমির হোসেন এবং বিভিন্ন নারী নেত্রীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ  বৃষ্টি উপেক্ষা করে বোটযোগে ঘুড়ে ঘুড়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রের খোজনিতে।সরকারের বিভিন্ন  গোয়েন্দা সসংস্থার লোকও চোখে পড়ার  মত।

কথা হয় আশ্রয়কেন্দ্রের এক বাসিন্দার সাথে তিনি বলেন আমরা বড় মানুষ আমরা কষ্ট হলেও মানিয়ে নিতে পাড়ি কিন্তুু, ছোট শিশুদের নিয়েই হলো যত চিন্তা,  বিশুদ্ধ পানির সংকট প্রচুর। টিউভওয়েলের পানিও ঘোলা হয়েগেছে।
তাই খেতে পারছিনা। এদিকে কালথেকেই উপজেলা আওয়ামীগের পক্ষথেকে বন্যা দূর্ঘত মানুষদের উদ্ধারের জন্য তাদের সকল নেতা কর্মীকে নির্দেষ দেয়া হয়েছে।
উদ্ধার কাজে অংশনেয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন জানায় হঠাৎ বন্যার কবলে পড়া মানুষ গুলো খুবই অসহায় হয়ে পড়েছে আমরা তাদের সহযোগীতা করছি।

২০০৭ সালের পড় বাঘাইছড়ি বাসী বন্যার কারণে এমন ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি। পুকুর ফসলি জমী হারিয়ে অনেক কৃষকই পথে বসেছে নষ্ট হয়ে গেছে ফসল, তাই মারাত্বক খাদ্যসংকট এবং কঠিন রোগব্যাধির আশংকা করা হচ্ছে। বেড়েছে সাপের উপদ্রুপ।   তাই খুব সতর্কতার সহিত চলতে হচ্ছে। বৃষ্টিপাত না কমলে ভয়াভহ দূর্যোগের আশংকা করা হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টা এবং অভ্যন্তরিন যোগাযোগব্যবস্থা তাই জন জীবন হয়ে পড়েছে স্থবীর।

একমাত্র নৌকাই এখন চলাচলের একমাত্র ভরসা। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নাদীম সারওয়ার খুব সুক্ষভাবে বন্যা পরিশ্রিতি পর্যবেক্ষণ করছেন,  এবং নিয়মিতই তার কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে খোজখবর নিচ্ছেন।