সাংসদ ঊষাতন তালুকদারের একান্ত সহকারী হোসাইন জহিরকে মানবাধিকার স্বর্ণপদক প্রদান

নূর হোসেন মামুন-কাপ্তাই ॥
জাতীয় সংসদের ২৯৯নং পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদারের একান্ত সহকারী ও মানবাধিকার কর্মী এম. আর. হোসাইন জহিরকে মানবাধিকার আন্দোলন, এইচ আর আর এস, এইচ আর আর এস টি ভি কর্তৃক “মানবাধিকার অগ্রাধিকার শান্তি স্বর্ণপদক- ২০১৮” প্রদান করা হয়েছে। গণ মানুষের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও মানবিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করার স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে এই পদক প্রদান করা হয়।
বুধবার ঢাকাস্থ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে “মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নে আমাদের করনীয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভা আয়োজনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন তাকে পদক পড়িয়ে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিউদ্দীন কাজল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব ড. খুরশীদ আলম সাগর, এইচ আর আর এস এর চেয়ারম্যান এডভোকেট সাঈদুল হক সাঈদ, প্রধানমন্ত্রীর ইসলাম ধর্মীয় উপস্থাপক মাওলানা আশেকী, তেজগাঁও কলেজ ফিলসফি বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. রাজিয়া খানম লাকি সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়া আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন দেশবরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতি কর্মী, গণমাধ্যম কর্মী, ক্রীড়া সংগঠক সহ আরো অনেক গুণীজন। আলোচনা ও পদক প্রদান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এর আগে পদক প্রদানের লক্ষ্যে মানবাধিকার আন্দোলন, এইচ আর আর এস এবং এইচ আর আর এস টিভি কর্তৃক পাঁচ সদস্যের মনোনয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। সারাদেশ থেকে উক্ত সংস্থা সমূহের প্রতিনিধি ও মানবাধিকার রিপোর্টারদের মনোনয়নকৃত নাম সমূহের বিচার বিশ্লেষণ করে জুড়ি বোর্ডে চুড়ান্তভাবে পদক প্রদানের জন্য নির্বাচিত করে।
পদক গ্রহণ শেষে এম. আর. হোসাইন জহির তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, কোন পুরস্কার বা প্রশংসা পাওয়ার জন্য কখনো জনকল্যাণমুখী কাজ করিনি। সব সময় মানুষ হিসাবে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠাকে নিজের দায়িত্ব কর্তব্য মনে করেই এগিয়ে যাচ্ছি। তবুও এমন পুরস্কার পাওয়াটা আমাকে আরো অনেক বেশী অনুপ্রাণিত করছে। আগামীতেও আমি গণ মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে সর্বাত্মকভাবে সম্পৃক্ত রাখবো।
উল্লেখ্য যে, এম. আর. হোসাইন জহির ইতোপূর্বে পার্বত্যাঞ্চলের পাহাড়ি বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের মাঝে সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করার মাধ্যমে শান্তি সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় নিরলস শ্রম দেয়ার স্বীকৃতি স্বরূপ “মে দিবস স্বর্ণপদক” অর্জন করেছিলেন।