দিনমজুরের ভাঙা পায়ের চিকিৎসা করাচ্ছেন ইউএনও রুহুল আমিন

॥ কাপ্তাই প্রতিনিধি ॥

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র প্রিয় (ছদ্ম নাম) এর পিতা মো সেলিম দীর্ঘদিন যাবত দিনমজুরী করেই তার সংসার চালান। গত রমজানের আগে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়িস্থ অফিসার ক্লাবে কাজ করার এক মুহুর্তে ছাদ থেকে পরে পা ভেঙে ফেলেন সেলিম। তার দরিদ্র পরিবারে নুন আনতে পানতা ফুড়ানোর গল্পটা নতুন নয়। তাই টাকার অভাবে বাড়িতে বসেই ভাঙা পা ঝাড়ফুঁক’ এর মাধ্যমে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করতেন তিনি। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছিল ক্রমন্নয়ে সেধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে যাচ্ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
পরে স্থানীয়রা তার চিকিৎসার জন্য রাস্তাঘাটে অর্থ সংগ্রহ করার প্রস্তুতির কথাকাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের কানে এলে তিনি নিজেই গতকাল বুধবারসকালেই তাৎক্ষণিকভাবে সেলিমকে বাড়ি থেকে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। শুধু তাই নয়, সুস্থ হয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত তার পরিবারের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন উপজেলা পর্যাযে সরকারের সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন এই কর্মকর্তা।
সেলিম রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের বরইছড়ি এলাকার মো আব্দুল মান্নানের ছেলে। দিনমজুরী করে জীবন চালাতে তিনি। গত রমযানের আগে অফিসার্স ক্লাবের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে যায় তার।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, পা ভাঙ্গার পর সেলিম ঝাডফুঁক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এ ধরনের অপচিকিৎসার খবর পেযে তাৎক্ষণিক মিশন হাসপাতালে ভর্তি করি তাকে। চার সপ্তাহের চিকিৎসায় সেলিম সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ইউএনও’কে জানিয়েছেন।