বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আমীর খসরুর মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাঙামাটি জেলা শাখা কর্তৃক ১২ আগষ্ট রবিবার সকাল দশ ঘটিকায় রাঙামাটি জেলা বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহামুদ এর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহা আলম। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দিপন তালুকদার দিপু, সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশীদ মামুন, যুগ্ন সম্পাদক এসএম সফিউল আজম, জেলা যুবদলের সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম শাকিল।

এতে আরো উপস্থিতি ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সৈয়দ ইসমাইল হোসেন নিজামী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ, যুগ্ন সম্পাদক আলী বাবর, বাবুল আলী, নিজাম উদ্দিন, উষা্হ্লা রয়াজা, জেলা যুবদলের সিঃ সহ-সভাপতি নুরনবী, জেলা মহিলা দলের আহবায়িকা মিনারা আশ্রাফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ ছাব্বির, জেলা জাসাস সদস্য সচিব আবূল হোসেন বালি, জেলা তাতী দলের সভাপতি আবদুল গনি মজুমদার, সাধারন সম্পাদক নুরুল আজম। প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, কৃষকদল, তাতীদল, ওলামাদল, জাসাস ও মৎসজীবিদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তরা বলেন- বেগম খালেদা জিয়াকে জেল হতে আইনী প্রক্রিয়ায় এবং রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে। আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। বর্তমান সরকার বিভিন্ন অজুহাতে দলীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতা কর্মীদেরকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রেখে বিগত ৫ জানুয়ারীর মত নির্বাচন এদেশে আর করতে দেয়া হবে না। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহুমদ চৌধুরী একজন পরিছন্ন রাজনীতিবিদ। তাঁদের বিরুদ্ধে সাজানো ও বানানো মামলা দিয়ে বেগম জিয়াকে জেল থেকে মুক্ত করার চলমান আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করা যাবে না। সড়ক মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল আর চলতে দেয়া হবে না। ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোন ন্যায্য দাবীর সাথে বিএনপি সবসময় একাত্ব আছে থাকবে।