পর্যটন শহর রাঙামাটির কোতয়ালী থানায় এক মাসে আটক-৫৬ আসামী

॥ আলমগীর মানিক ॥

সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে পুলিশের কার্যক্রম সাম্প্রতিক সময়ে অনেকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। আগষ্টমাসে মাদকসেবী, ডাকাতসহ পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে বেশ চমক দেখিয়েছে রাঙামাটি কোতয়ালী থানা পুলিশ। একমাসেই কোতয়ালী থানা পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করেছে ১০৮টি। পুরো মাসে এক ডাকাতসহ সর্বমোট ৫৬জন আসামীকে আটক করা বলে থানা সূত্রে জানাগেছে। এসব আসামীর মধ্যে পলাতক আসামী রয়েছে ৪৩জন।

গতমাসে ১২ মামলায় আটক করা হয়েছে আরো ১৩জনকে। কোতয়ালী থানা পুলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখাগেছে, আগষ্ট মাসে শহরেই মাদকের মামলা হয়েছে ৮টি। এছাড়াও সাপছড়িতে সংঘঠিত ডাকাতির ঘটনায় এক মামলাসহ সড়ক দূর্ঘটনা, মোটর সাইকেল চুরি ও অন্যান্য ঘটনাসহ আরো চারটি মামলা হয়। এসব মামলায় কোতয়ালী থানা পুলিশ প্রায় আড়াশো পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যজিৎ বড়ুয়ার নেতৃত্বে সেকেন্ড অফিসার এসআই লিমন বোস, এসআই সৌরজিৎ বড়ুয়া, এসআই আশরাফ, এসআই জাহাঙ্গীর, এএসআই আসাদুজ্জামান, এএসআই গণেশ্বর তংচঙ্গ্যা, এএসআই আমিনুল ইসলাম, কনস্টেবল বাপ্পীসহ কোতয়ালী থানা পুলিশের সদস্যরা এসব অভিযানে অংশ নেয়।

কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যজিৎ বড়ুয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরের নির্দেশে কোতয়ালী থানা পুলিশ পুরো রাঙামাটি শহরে ব্যাপকহারে বিচরণ করছে। এতে করে অপরাধীদের অনেকেই আইনের আওতায় চলে আসছে আর অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

যার ফলশ্রুতিতে শহরে সামাজিক অপরাধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে চলতি মাসেও বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশ সুপার এমন তথ্য জানিয়ে জনাব সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, আমরা মাদকসেবীদের কাউকে ছাড় দিচ্ছিনা আগামীতেও এই নীতি বজায় থাকবে।

সমাজের অপরাধ সৃষ্টিতে মাদক অন্যতম একটি উপদায়ক উল্লেখ করে ওসি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের বিরুদ্ধে লড়া সম্ভবপর হয়ে উঠেনা। এই ক্ষেত্রে শান্তিময় পরিবেশ কামনাকারী স্থানীয় প্রত্যেক সচেতন ব্যক্তিকে এগিয়ে এসে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহবান জানিয়ে সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, প্রয়োজনে তথ্য প্রদানকারির সকল পরিচয় পুলিশ গোপন রাখবে।