ব্রেকিং নিউজ

ঝিনাইদহে সৃজনী এনজিওতে টর্চার মামলা নিয়ে ধুম্রজাল !

॥ ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥

ঝিনাইদহের সৃজনী এনজিও’র ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া আরিফ হুসাইনের মামলা নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কার কথা ঠিক ? তথ্যানুসন্ধান করে জানা গেছে, অপহরণ করে ১৩ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন মালয়েশিয়া ভিত্তিক মেডিকো গ্রুুপের এরিয়া ম্যানেজার ও মহেশপুর উপজেলার গৌরিনাথপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে আরিফ হুসাইন। ওই মামলায় আসামী করা হয় ঝিনাইদহের সৃজনী এনজিওর নির্বাহী পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে তামিমসহ অজ্ঞাত ৬/৭ জন। কিন্তু মামলার আসামীর সংখ্যা নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের তথ্যে গরমিল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস সিনিয়র সাংবাদিকদের জানান, মামলার আসামী দুইজন এবং তারা গ্রেফতার আছেন। কিন্তু ঝিনাইদহ সদর থানা থেকে বলা হচ্ছে মামলায় আসামী ৪ জন। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ মামলা রেকর্ডের কথা স্বীকার করে জানান, এজাহারে মুল আসামীর সাথে আরো কিছু আসামীর নামে দেওয়া আছে। বাদী আরিফ হুসাইন জানান, তিনি সৃজনী এনজিওর নির্বাহী পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে তামিম, হারুনের চাচাতো ভাই লাভলু ও কর্মচারী ওহিদুজ্জামানসহ আরো অজ্ঞাত ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করেছিলাম। বাদীর অভিযোগ গত ২৬ আগষ্ট ঝিনাইদহ শহর থেকে সৃজনী এনজিওর নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশিদের নির্দেশে তার ছেলে তামিম তাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যায়। সেই থেকে আরিফ পবহাটী গ্রামে সৃজনীর হেড অফিসে ৯দিন ও হারুনের বাগান বাড়িতে ৪ দিন আটক ছিলেন। তবে সৃজনীর নির্বাহী পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ ঘটনার পর থেকেই বলে আসছেন আরিফকে আটকে রেখে মারধর বা কোন নির্যাতন করা হয়নি। লেনদেনের ঝামেলা মেটাতে সৃজনীর হেড অফিসেই ছিলেন আরিফ। তবে সমালোচকরা বলছেন, পবহাটী গ্রামে সৃজনীর টর্চার সেলে একটি গোপন কুয়া আছে। সেখানে অনেক মানুষকে গুম করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসি অনুরোধ করেছেন।