“সাংবিধানিকভাবে পার্বত্য চুক্তির অস্থিত্ব নেই-এটা অবৈধ” বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম

॥ ডেক্স রিপোর্ট ॥

‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি’কে সংবিধানবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য ভূমি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী। ‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছরে জাতির প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম আরো বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় পার্বত্য শান্তি চুক্তিতে সই হয়।’

পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষের যে ভূমির অধিকার ও তাদের বসবাসের অধিকারে ডিস্টার্ব করার অধিকার কারও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চুক্তি হওয়ার পরবর্তীতে দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। একজনের পৈত্রিক জমি আর কাউকে দেয়া যাবে না, যাদের জমি তারই থাকবে। এ ধরনের অনেক বাস্তব সমস্যা দেখা দিল। এর বিরুদ্ধে দুটি রিট পিটিশন হলো। এ মামলায় দেশের নামকরা সব আইনজীবীরা যুক্তি-তর্ক দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল এটি আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে হাইকোট এমন রায় দিলেন যাতে এ চুক্তির অস্তিত্ব এখন আর নেই।’

খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধান পরিপন্থী। তবে এটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। পেন্ডিং থাকা অবস্থায় কাজ চলছে। কিন্তু সাংবিধানিক ভাবেচুক্তির অস্তিত্ত^ নেই। সংবিধান পরিপন্থী যেটা সেটা তো আমরা মানব না। আপিল বিভাগে যেহেতু পেন্ডিং আছে, সেহেতু এটা তারাই বিচর করবে। কিন্তু যে চুক্তিটা সংবিধান পরিপন্থী তা বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের ওপর বহাল না। আমরা এটা মানতে রাজি না।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন-জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, পার্বত্য নিউজের সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. শেখ আহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুল হামিদ রানা প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের প্রচার সম্পাদক প্রভাষক আরিফ বিল্লহ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের তথ্য সম্পাদক মো:ইলিয়াছ হোসাইন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বান্দরবান জেলা সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান, পিবিসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার উল্লাহ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকার চুক্তি করে। কিন্তু এই চুক্তিতে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। কারণ, পাহাড়ে বসবাসরত বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বাঙালি এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়নি। পাহাড়ে সশস্ত্র গেরিলা সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে একপেশে এই পার্বত্য চুক্তি শান্তির বদলে একাদিক সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্ম দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সন্ত্রাসী সন্তু লারমা ৩০ হাজার বাঙারীকে হত্যা করেছে। এখন নতুন ষড়যন্ত্র হিসেবে ভারতীয় নাগরিক ৮২ হাজার অস্ত্রধারী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সন্ত্রাসীকে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রামের নাগরিকত্ব করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পাহাড়ে এখন খুন-গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি আরও বেড়েছে। শিক্ষা, চাকুরি, ব্যবসা, জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বৈষম্য। পার্বত্য চুক্তি এই বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বৈষম্য থেকে বের হয়ে আসতে আমরা এই চুক্তির সংবিধানবিরোধী ধারা-উপধারাসমূহ বাতিল করে সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির তেরো বছর পার হওয়ার পর জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) নেতা সন্তু লারমা ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তিকে একটি প্রশ্নের মাঝে ঠেলে দিয়েছেন। ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি ২১ বছর পার করল। জেএসএসের কাছে এখনও অবৈধ অস্ত্র রয়েছে এবং তারা পার্বত্য এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত। শান্তি চুক্তির মধ্য দিয়ে বাঙালি ও পাহাড়িদের মধ্যে ‘স্ট্যাটাসকে’ বজায় রাখা জরুরি ছিল, সেখানে সন্তু লারমা বার বার বাঙালিবিরোধী কথাবার্তা বলে আসছিলেন; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সরকার তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। গত ২১ বছর ধরে অবৈধভাবে তিনি আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের পদটি দখল করে আছেন এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি নির্বাচিতও নন। যেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিও ৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেন না, সেখানে সন্তু বাবু গত ১৯ বছর ধরে একজন উপমন্ত্রীর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

এখানে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে চাকমাদের ভূমিকা ছিল স্বাধীনতাবিরোধী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রামে চাকমাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে চাকমা রাজা ত্রিবিদ রায় (বর্তমান রাজা দেবাশীষ রায়ের পিতা) ও বোমাং রাজার ভাই পাকিস্তানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। ত্রিবিদ রায় একটিবারের জন্যও বাংলাদেশে আসেননি। তিনি এখনও ইসলামাবাদে থাকেন এবং দীর্ঘদিন তিনি পাকিস্তানের মন্ত্রী ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সার্কেলের রাজারা ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের বাইরে থাকতে চাইলেও ১৯৭১ সালে তাদের অনুসারীরা বাঙালিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এরা তথাকথিত ‘শান্তিবাহিনী’ গঠন করেছিল। এই শান্তিবাহিনীই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করেছিল। এর নেতৃত্বে ছিলেন সন্তু লারমা ও তার বড় ভাই প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। আগামীতে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হচ্ছে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তাদের এই বিচারের আওতায় আনা হবে কিনাসেটাই দেখার বিষয়। মুক্তিযুদ্ধে সন্তু লারমার ভূমিকা ছিল স্বাধীনতার বিপক্ষে। সেই ‘অপরাধে’ তারও তো বিচার হওয়া উচিত!

তারা বলেন, সন্তু লারমা বার বার সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করেছেন। আবারও সেনা প্রত্যাহার দাবি করেছেন। এর অর্থ কী? সেনা প্রত্যাহারের ফলে যে ‘শূন্যতার’ সৃষ্টি হবে, সেই ‘শূন্যতা’ তিনি পূরণ করতে চান পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিয়ে! সেনাবাহিনী সরকারের অধীনে কাজ করে। দেশটির শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীর ওপর বর্তেছে। যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের এত গর্ব, সেই সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করে একটি ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ সাধন করছেন সন্তু লারমা। বিবেকবান মানুষদের আজ তাই সতর্ক থাকা উচিত। এক সময় যেসব পাহাড়ি পুলিশ তথা বিডিআরে আছেন, তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘স্থায়ী’ নিয়োগ দেয়ারও দাবি তুলেছিলেন তিনি। কেন? এই পাহাড়িদের তিনি ব্যবহার করতে চান বাঙালিদের বিরুদ্ধে? তার উদ্দেশ্য সৎ নয়। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন। তিনি চান না খুমি, লুসাই, চাক, খিয়াং, পাংখো, রিয়াং, বোম কিংবা মুরং উপজাতির কেউ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হোক। এরা সবচেয়ে অবহেলিত উপজাতি। সরকার সংবিধানের ১৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমাজের ‘অনগ্রসর শ্রেণীর’ জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়। অথচ এর সুবিধা নিচ্ছে চাকমারা। চাকমারা আজ শতকরা ৯৪ ভাগ উচ্চশিক্ষিত, সম্পদশালীও বটে। কিন্তু মুরং, খিয়াং, চাক, পাংখোদের এ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয় না। সময় এসেছে উপজাতীয় এ অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য কিছু করা। সরকার একটি আলাদা কমিশন গঠন করতে পারে, যারা যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ৮ দফা ঘোষনাপত্র পাঠ করা হয়- ১। ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত তথাকথিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী উপজাতী ও বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টিকারী ও সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ধারা সমূহ বাতিল করে বাসÍবতার ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগনের মাঝে শাসনতান্ত্রিকভাবে গ্রহনযোগ্য সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

২। পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের আদিবাসী স্বীকৃতি প্রাপ্তির অযৌক্তিক দাবী ও আদিবাসী ইস্যুতে কিছু মিডিয়া, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সং¯্থ’া এবং তথাকথিত সুশীল ব্যাক্তির/ব্যাক্তিদের অপপ্রচার বন্ধে দ্র“ত কার্যকর ব্যব¯’া নিতে হবে, পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ব তিমুর ও দক্ষিন সুদানের মত আলাদা খ্রীষ্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সকল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র বন্ধ করার পাশাপাশি ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে দ্র“ত আইনানুগ ব্যাব¯্থ’া নিতে হবে।

৩। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন-২০০১ অসাংবিধানিক হওয়ায় সেটিকে অবৈধ ঘোষণা পূর্বক পরবর্তীতে প্রস্তাবিত সকল সংশোধনীসহ আইনটি বাতিল করতে হবে। বাংলাদেশের অন্যান্য জেলায় প্রচলিত ভূমি আইনের মাধ্যমে সকল ভুমি সমস্যার সমাধান করতে হবে।

৪। শিক্ষা, শিক্ষাবৃত্তি ও চাকুরী ক্ষেত্রে উপজাতি কোটা বাতিল করে জনসংখ্যানুপাতে পার্বত্য কোটা চালু করতে হবে। প্রত্যেক উপজেলায় শুধুমাত্র উপজাতি ছাত্রাবাসের পরিবর্তে উপজাতি ও বাঙ্গালী সকল সম্প্রদায়ের ছাত্রদের জন্যে যথেষ্ট আসনসংখ্যা বিশিষ্ট ছাত্রাবাস গড়ে তুলতে হবে। শুধুমাত্র উপজাতিদের জন্যে করমুক্ত ব্যবসা সুবিধার পরিবর্তে সকল সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীদেরকে একই সুবিধার আওতায় আনতে হবে।

৫। বর্তমান জেলা পরিষদ, পার্বত্য শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্স, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও অঞ্চলিক পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচন দিতে হবে। চেয়ারম্যান পদ সকল সম্প্রদায়ের জন্য উন্মোক্তকরণপূর্বক সকল পর্যায়ে বাঙ্গালী প্রতিনিধির পদ সংখ্যা জনসংখ্যানুপাতে বৃদ্ধি করতে হবে এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে। সকল সরকারি নিয়োগ ও বদলি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে হতে হবে।

৬। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী নিরীহ, নিরস্ত্র, গরীব ও অসহায় বাঙ্গালীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং নির্বচারে সীমাহীন চাঁদাবাজি রোধে কোনভাবেই অ¯’ায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা যাবে না। নিরাপত্তা ঝুকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহে সেনাক্যাম্প ¯’াপন করতে হবে। ¯্থানীয় পুলিশ বিভাগ কোনভাবেই উপজাতি নেতৃত্বাধীন জেলাপরিষদের হতে ন্যাস্ত করা যাবে না।

৭। ৩০ হাজার বাঙ্গালীর খুনি, দেশদ্রোহী সন্তু‘ লারমা ও তার দোসরদের আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ করে বাঙ্গালী হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। জেএসএস, ইউপিডিএফ, সংস্কারপন্তি’ এবং তাদের সমর্থিত অঙ্গ সংগঠনসমূহকে উগ্রপন্তি’ ঘোষণা করে নিষিদ্ধকরণ পূর্বক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে হবে। উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজী, অপহরণ বানিজ্য, হত্যা, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৮। ২৮২২০ পরিবার গু”ছগ্রামবাসী বাঙ্গালীদের ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থীদের ন্যায় সুবিধাদি দিয়ে ভূমিসহ পূর্ণবাসন করতে হবে এবং সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বৃটিশ হিলট্রাক্টস্ ম্যানুয়াল এ্যাক্ট-১৯০০ বাতিল করতে হবে। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)