অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার না হলে পাহাড়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভবঃ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভায় সুজন

॥ সৌরভ দে ॥

গত সংসদ নির্বাচনের ন্যায় এবারও যাতে পাহাড়ের মানুষের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার হরণ করে সন্ত্রাসের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে নিতে না পারে সে লক্ষ্যে পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন।

মঙ্গলবার ঢাকাস্থ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভায় অংশ নিয়ে রাঙামাটি ছাত্রলীগ সভাপতি সুজন আরো বলেন, বিগত নির্বাচনে ৫৪টি ভোট কেন্দ্র দখল করে অবৈধ অস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে নিয়েছিলো আঞ্চলিক দলীয় সন্ত্রাসীরা। এবার যাতে এই অবৈধ অস্ত্রধারীরা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করতে নাপারে সেই লক্ষ্যে পাহাড়ে এখন থেকেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার করার দাবিও জানিয়েছেন সুজন।

সভায় সুজন আরো বলেন, রাঙামাটিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু করা নাহলে অত্রাঞ্চলে সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা যেমনিভাবে নেই, ঠিক তেমনিভাবে সন্ত্রাসীদের কারনে দলীয় নেতাকর্মীরাও কোনঠাশা হয়ে পড়বে। নির্বাচনে পাহাড়ের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হলে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুজন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী এই বর্ধিত সভায় সংগঠনটির সকল জেলা, মহানগর এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়কদের উপস্থিতিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। সভা সঞ্চালনা করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। সভায় রাঙামাটি থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা অংশগ্রহণ করেছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

আব্দুল জব্বার সুজন জানিয়েছেন, সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ দলের উন্নয়ন কর্মকান্ড তৃণমুল পর্যায়ে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে এবং দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখতে দেশকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে নৌকা প্রতীককে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের দৌড় গৌড়ায় যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এই বর্ধিত সভা থেকে।