জেএসএস’র প্রেস বিজ্ঞপ্তি!

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভিত্তিক অনলাইন পত্রিকা সিএইচটি টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এ ‘নাশকতার অভিযোগে রাঙামাটি শহরে জেএসএস’র ২ সদস্য আটক’, পার্বত্যনিউজ ডটকম এ ‘নির্বাচনে ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা: রাঙামাটিতে জেএসএস সশস্ত্র শাখার দুই কর্মী আটক’, সিএইচটিটুডে ডটকম এ “অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে জনসংহতি সমিতির ২ জন আটক”, দৈনিক আজাদীতে ‘নির্বাচনে পাহাড়ে নাশাকতার ছক জেএসএসের’, জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকে ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে জেএসএস’র নাশকতার পরিকল্পনা অস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার’ শীর্ষক সংবাদগুলোর প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে।

উক্ত সংবাদগুলোতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে যে, “..বুধবার সন্ধ্যায় শহরের তবলছড়ি এলাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসএর মিলিশিয়া গ্রুপের দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।আটককৃত উভয়েই সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসএর সক্রিয় সদস্য নিশ্চিত করে তারা দু’জনেই রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকা থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে গহীন অরন্যে নিয়ে যাওয়ার কাজে নিয়োজিত বলে জানিয়েছেন একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ”আটককৃতদের বুকে টানানো কাগজে তাদের নাম আলোময় চাকমা (৩৯) ও আনন্দ কুমার চাকমা ওরফে ধন চাকমা (৪২) এবং তারা উভয়েই “জেএসএস (মূলদল) এর সশস্ত্র সদস্য” বলে উল্লেখ করা হয়।এমনকি “গত নভেম্বর মাসে জেএসএস (মূল) এর মিলিশিয়া সশস্ত্র গ্রুপে ৭০ জনকে ইতোমধ্যে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে” মর্মে কল্পকাহিনী সংবাদে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদে উল্লেখিত তথ্য সর্ববৈ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।জনসংহতি সমিতির কোন ধরনের নাশকতা বা সশস্ত্র তৎপরতার সাথে জড়িত নয়।আলোময় চাকমা ও আনন্দ কুমার চাকমা ওরফে ধন চাকমা নামে জনসংহতি সমিতির কোন সদস্য আগেও ছিল না, বর্তমানেও নেই। “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র তৎপরতা বৃদ্ধিতে দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে জেএসএসএর জন্য অর্থের বিনিময়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে দেয়” মর্মে সংবাদে উল্লেখিত বিষয়টিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও শেখানো বুলি। “জেএসএসএর দায়িত্বশীল একজন উর্দ্ধতন নেতা” উদ্ধৃতি দিয়ে “আটককৃত দুইজনকেই আরো অন্তত ছয়মাস আগে দল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে” মর্মে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে তাও সম্পূর্ণ বানোয়াট।এবিষয়ে জনসংহতি সমিতির কোন সদস্য বা দায়িত্বশীল কোন নেতা এধরনের বক্তব্য প্রদান করেনি।

বস্তুত আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নামে যৌথবাহিনীর চলমান অভিযানে জনসংহতি সমিতির সদস্য ও নিরীহ জুম্ম জনগণকে টার্গেট করে দমন-পীড়ন চালানোর হীনউদ্দেশ্যই ভাড়াটে লোক দিয়ে এধরনের কল্পকাহিনী সাজিয়ে নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে এবং সেসব কল্পকাহিনী ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করা হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এধরনের ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত সংবাদ ও অপপ্রচারণার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছে এবং এধরনের অপপ্রচারণা থেকে বিরত থাকার জন্য উল্লেখিত সংবাদপত্র ও পুলিশসহ যৌথবাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে।