সদ্য পূর্ণমন্ত্রী হওয়া বীর বাহাদুরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন হাজী মো: মুছা মাতব্বর!

॥ সৌরভ দে ॥

নিজের সংসদীয় এলাকায় পরিছন্ন একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে বেশ নামডাক তাঁর। তৃণমূল বান্ধব এই নেতা শুধু নিজের দলেই নয় এমনকি বিরোধীদলের নেতাকর্মীদেরও পছন্দের পাত্র শুধুমাত্র তাঁর অমায়িকতার কারণে। টানা ৬ বার নিজের আসনে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে ইতোমধ্যেই তিনি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম বিশ্বস্ত পাত্রে। তারই পুরস্কার স্বরুপ পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হল তাঁকে। ৩০০ নং বান্দরবান আসনের এক অতি সাধারণ পরিবারের ‘বীর’ সম্পুর্ন নিজ যোগ্যতায় আর গুণে আজ হয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি।

এদিকে বীর বাহাদুরের পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ার সংবাদে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে পাহাড়ে। প্রয়াত কল্প রঞ্জন চাকমার পরে এই প্রথম পাহাড়ের কোন নেতা দেশের অন্যতম উচ্চপদ মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেলেন। বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় সংবাদ পাওয়ার পর পরই বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীয় আ’লীগের নেতাকর্মীসহ বিভিন্নমহল মিষ্টি বিতরণ করেছে। পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতেও নৌকার কর্মীদের পালে লেগেছে এই আনন্দের হাওয়া। নতুন মন্ত্রীসভায় পাহাড়ের এই নেতাকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের পুর্ণমন্ত্রী ঘোষণার পরপরই ছাত্রলীগসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন তৃণমূল কর্মীরা তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানাতে থাকে বীর বাহাদুর এমপিকে। তারই ধারাবাহিকতায় ৭ জানুয়ারী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে বেইলি রোডের মিনিস্টার এপার্টমেন্টে সদ্য প্রতিমন্ত্রী হতে পূর্ণমন্ত্রী হওয়া বীর বাহাদুর এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন রাঙ্গামাটির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জনাব হাজী মো: মুছা মাতব্বর। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রফিক আহমেদ তালুকদার ও সন্তোষ কুমার চাকমা।

১৮ বছর পর একজন পুর্ণমন্ত্রী পেল পার্বত্যবাসী। প্রয়াত মন্ত্রী কল্প রঞ্জন চাকমার পরে মন্ত্রী হবার সৌভাগ্য হল বীর বাহাদুর এমপি’র। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর গঠিত পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে কল্প রঞ্জন চাকমা সরাসরি মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি মন্ত্রী ছিলেন। বিগত ১৮টি বছর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পুর্ণমন্ত্রীহীন অবস্থায় ছিল। কেমন একটা অপুর্ণতা ছিল দীর্ঘ দেড় যুগ। দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার পর একজন সুযোগ্য, সুদক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালেয়র মন্ত্রী নিয়োজিত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পার্বত্যবাসী অবশ্যই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে।