পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে একজন বাঙালীকে এমপি করার দাবী পার্বত্য অধিকার ফোরামের!

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

একাদশ জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের প্রতিনিধি না থাকায় সংরক্ষিত মহিলা কোটায় একজন বাঙালিকে (মন্ত্রি পদমর্যাদায়) এমপি করার দাবী জানিয়েছেন পার্বত্য অধিকার ফোরাম, কেন্দ্রীয় সংসদ।

৮ জানুয়ারী সিএইচটি টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমের মেইলে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ৩০/১২/২০১৮ ইং রোজ রবিবার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে তিন জনকে এমপি নমিনেশন দেওয়া হয় তিনজনই উপজাতীয় প্রার্থী। ৫১ শতাংশ বাঙালিদের প্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমতার সম-বন্টনের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার একজন বাঙালিকে নমীনেশন দিলে আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক উন্নয়নের স্লোগানে পাহাড়ের বাঙালিরা এমপি বানাতে পারত।

তবুও আমরা উন্নয়নের পক্ষে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহন করে ঐ প্রার্থী কে ভোট দিয়েছি। তাই আমাদের চাওয়া হলো সংরক্ষিত মহিলা কোটায় একজন বাঙালিকে (মন্ত্রী পদমর্যাদায়) সংসদ সদস্য করা হউক।
পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: মাঈন উদ্দীন আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার বরাবরে বিনীত আহবান জানিয়ে বলেন- পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রতিটি সিদ্ধান্তই জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংশিত হয়েছে। তাই সারা দেশের দেশের ন্যায় পার্বত্য চটগ্রাম কে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে নিতে আপনার সুদূর প্রসারী উদ্দ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের নির্বাচনে আপনার বিজয় আমাদের বহুল আকাঙ্খিত ছিলো। আপনার ঐতিহাসিক বিজয়ে আমরা ই বেশি আনন্দিত।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি-১৯৯৭ সই করার সময় আপনি বলেছিলেন পাহাড়ি বাঙালি সকলের সম প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবেন। দশম জাতীয় সংসদে আপনার সুদৃষ্টির ফলে সংরক্ষিত মহিলা কোটায় একজন এমপি হয়েছিলেন। তার জন্য আপনার নিকট কৃতজ্ঞতা জানাই। এরই ধারাবাহিকতায় একাদশ জাতীয় সংসদেও পাহাড়ের ৫১ শতাংশ বাঙালিদের দাবী সংরক্ষিত মহিলা কোটায় একজন বাঙালি (মন্ত্রী পদমর্যাদায়)কে এমপি করে সংসদে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিবেন।

আমাদের প্রতিক্ষীত আওয়ামীলীগ সরকারের টানা তৃতীয় বার সরকার গঠন করায় আপনার কাছে প্রত্যাশার জায়গা একটু বেড়েছে। তাই আপনার চেষ্টায় স্বাক্ষর হওয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি-১৯৯৭ এর অসাংবিধানিক ধারা সমূহু সংশোধন করে চুক্তি হতে বাদ পড়া, পিছিয়ে থাকা বাঙালি জনগোষ্টি কে উপজাতীয় দের মত সমভাবে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা দিয়ে চুক্তি তে অন্তর্ভূক্ত করা হউক। বাস্তবায়িত হবে আপনার বৈষম্যহীন, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

উপরোক্ত ন্যায্য দাবী বাস্তবায়নে একত্বতা জানাতে প্রশাসন, সাংবাদিক সহ সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি।