ব্রেকিং নিউজ

রাঙামাটিতে হত্যা মামলার আসামী হয়ে ফেরারি জীবনে ২ ইউপি চেয়ারম্যান!

॥ আলমগীর মানিক ॥

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালী কারিগর পাড়ায় আওয়ামীলীগের স্থানীয় দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি হওয়ায় উপজেলার দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) রাইখালী ও চিৎমরমের চেয়ারম্যান পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে। চন্দ্রঘোনা থানা সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গত ৪ই ফেব্রুয়ারি রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়ায় আওয়ামীলীগকর্মী মংসানু মারমা ও মোঃ জাহিদুল ইসলামকে গুলিতে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় নিহত মংসানু মারমার শ্বশুর আপ্রু মারমা বাদী হয়ে চন্দ্রঘোনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। উক্ত মামলায় রাইখালী ইউপি চেয়ারম্যান সায়ামং মারমা ও চিৎমরম ইউপি চেয়ারম্যান খ্যাইসাঅং মারমার। এরপর থেকে গ্রেফতার এড়াতে নিরুদ্দেশ হন এ দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ। এতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে ওই দুই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম। সায়ামং মারমা ও খ্যাইসাঅং মারমার ব্যবহার করা মুঠোফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। থানা সূত্রে জানা যায়, ওই জোড়া খুনের ঘটনায় করা মামলায় দু’চেয়ারম্যান এজাহারভূক্ত আসামি।

চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আজম বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ আসামিকে গ্রেফতার করে যৌথবাহিনী। তাদেরকে আদালতে চালান দেয়ায় জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- খোংসাথুই মারমা, তপন তালুকদার, আওয়াইং মারমা, উথোয়াইনু মারমা, মংসাপ্রু মারমা, সাচিং মং মারমা, তেজেন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা ও থুইচিং মারমা। অন্য আসামি সবাইকে আইনের আওতায় আনতে জোরালো অভিযান চলছে। ওই চেয়ারম্যানগণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বলে জানান ওসি।