ব্রেকিং নিউজ

ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে রাঙামাটিতে আ’লীগের আলোচনা সভা

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের জেলা কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নিখিল কুমার চাকমা সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, জেলা আওয়ামীলীগেরা সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল, আব্দুল মতিন, মমতাজুল হক, সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, মাহফুজুর রহমান, মনসুর আলী, হৃদয় বিকাশ চাকমা, জাহিদ আক্তার, শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় করেন, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য সম্পাদক রফিকুল মাওলা।

সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিব নগর সরকার গঠন বাঙ্গালীর স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবগাঁথা সাফল্য। মুজিব নগর সরকার গঠিত না হলে সঠিকভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হতোনা। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে ভারতে অস্থায়ী সরকারের রূপরেখা তৈরী করা হলেও ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মাটিতেই এ সরকারের সদস্যরা শপথ নেন। সেইদিন ঘোষণাপত্র পাঠ করে শোনান কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান ব্যারিষ্টার এম আমিরুল ইসলাম।

বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কাজের মাধ্যমেই তাঁর দেশপ্রেমের প্রমাণ রেখেছেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে কারো তুলনা হয় না। একটি দেশের সরকার প্রধানের পারিবর্তন হতে পারে, কিন্তু জাতির জনক একজনই। জাতির জনকের পরিবর্তন হয় না। ইতিহাস হাজার চেষ্টা করলেও তা মুছে ফেলা যাবে না। বঙ্গবন্ধু প্রথম রাষ্ট্রপতি আর তাজ উদ্দিন আহম্মেদ প্রথম প্রধানমন্ত্রী এটিই হচ্ছে ইতিহাস। তাই বাংলাদেশীদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল একটি চিরস্মরনীয় দিন। তাই আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধররে সবার প্রতি আহবান জানান বক্তারা।

এর আগে সকালে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার। এসময় আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বরসহ অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।