ব্রেকিং নিউজ

থানচির পরিত্যক্ত মন্দির ধসে পড়ে ঘটতে পারে যেকোন দুর্ঘটনা

॥ টন্টু কর্মকার – থানচি ॥

বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানচি উপজেলা সদরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একমাত্র শ্রী শ্রী কালি মন্দির যে কোন সময় ধসে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরণের কোন দুর্ঘটনা । স্থাপনের পর একদিনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন নি সনাতনী ধর্মালবম্বীরা।

১৯৯৮ সালে বান্দরবান জেলা পরিষদের অর্থায়নে এক তলা পাকা ভবন নির্মাণ করা হলেও ঠিকাদার সংস্থা ভবনের নির্মাণ কাজ অত্যন্ত নিন্মমানের কারনে নির্মাণ কাজ শেষ হবার মাত্র  দুই দিনের মাথায় সামন্য বৃষ্টিতে ছাদ চুঁইয়ে ভেতরে পানি প্রবেশ করার কারণে প্রার্থনার প্রতিমা পর্যন্ত বসানো সম্ভব হয়নি, এছাড়াও ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল।

এই বিষয়ে মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি পলাশ মল্লিক বলেন আগের নির্মিত ভবনটি যে কোন মুহূর্তে পাশের আধা পাকা মন্দিরে ধসে পড়লে ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, ছাদের বিভিন্ন অংশে ভেঙ্গে পড়ে যাওয়ার কারণে দেখা যাচ্ছে লোহার রড। একটি কাঠের লাঠি নিয়ে দেওয়ালে সামান্য আঘাত করতেই ঝরে পড়ে গেল দেওয়ালের ছওড়া ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন পেগোডা, মসজিদ,গীর্জাসহ নানা অবকাঠামো নির্মানে সরকারি অনুদানে সংস্কারসহ নতুন অবকাঠামো তৈরী করা হলেও মন্দিরটির বেহাল দশার কারনে স্থানীয় সরকারি দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধির উপর ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে।

এই বিষয়ে থানচি উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং মারমা বলেন,বর্তমান সরকার প্রতিটি ধর্মের মানুষের সাথে সমান আচরণ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় থানচি মন্দিরের চারপাশে রিটার্নি ওয়াল নিমার্ণ করা হয়েছে  পর্যায় ক্রমে অতি শীগ্রই থানচি মন্দির ভবনটিও মান সম্মত ভাবে নির্মাণের উদ্দোগ্য গ্রহণ করা হবে।