ব্রেকিং নিউজ

কর্ণফুলী নদীতে ডুবে মামা-ভাগ্নের মৃত্যু: ১৬ ঘন্টা পর ভেসে উঠলো মামার মরদেহ

॥ নূর হোসেন মামুন-কাপ্তাই ॥

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের শিলছড়িস্থ কর্ণফুলী নদী থেকে অবশেষে ১৬’ঘন্টা পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭’টায় ভেসে উঠলো বীর চট্টলার অবিসংবাদিত নেতা মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর একান্ত সহকারী (এপিএস) ওসমান গণীর ছোট ভাই এডভোকেট হামেদ হাসানের (৩০) মরদেহ। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ভগ্নিপতি আনোয়ারুল আরেফিন অনুর (১৯) মরদেহ উদ্ধার করে নৌ বাহিনীর ডুবুরী দল।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার কাপ্তাইয়ের শিলছড়িতে ঘুরতে এসে কৌতহল-বশত টিম্বার সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে বিকেল সাড়ে ৩’টার সময় গোসল করতে নেমে তলীয়ে যায় চট্টগ্রামের চকবাজারের বাদুরতলার মো. কায়কোবাদের ছেলে এডভোকেট হামেদ হাসান (৩০)। এবং তার ভগ্নিপতি চট্টগ্রামের হালি শহরের খাঁন বাড়ির আরিফ খাঁনের ছেলে আনোয়ারুল আরেফিন অনু (১৯)।

স্থানীয়রা সাথে সাথে বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে নৌবাহিনীর ডুবুরী দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৪’টার সময় আনোয়ারুল আরেফিন অনুর মরদেহ উদ্ধার করলেও দিনরাত একনাগারে অভিযানেও সন্ধান মিলেনি হামেদ হাসানের। অবশেষে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার সময় কর্ণফুলী নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায় এডভোকেট হামেদ হাসানের মরদেহ।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল ও কাপ্তাই থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. নূর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিনিধিকে বলেন, আজ সকাল ৯টার সময় তার ভাই ওসমান গণীর কাছে হামেদের মরদেহটি তুলে দেওয়া হয়েছে।