ব্রেকিং নিউজ

“রাজনৈতিক কারণে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিতে পারিনি আজ তারই সিনেটর হলাম”

॥ সৌরভ দে ॥

প্রত্যেক শিক্ষার্থী চায় স্ব-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাবর্তন পেতে। আমিও তাই চেয়েছিলাম। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় ৭৫সালে জাতির পিতাকে হত্যা করা হলে লেখাপড়াটা আর হয়নি। অনার্স পাস করার পর পড়ার পাঠ চুকে যায়। রাজনৈতিক বাস্তবতায় সমাবর্তন আমি পেলাম না। দীর্ঘ এত বছর পর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র হিসেবে সিনেটর মনোনয়ন করে প্রধানমন্ত্রী আমার সমাবর্তন না পাওয়ার দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

শুক্রবার ১৫ জুন বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেটর মনোনীত হওয়ায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী পেশাজীবী পরিষদ রাঙামাটি শাখা কর্তৃক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আ’লীগের নেতা দীপংকর তালুকদার এসব কথা বলেন।

তিনি এসময় আরো যোগ করেন, আমার নির্বাচনী সময়ে যারা পাশে থেকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন তাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। এ পেশাজীবী পরিষদ সংগঠনটি আমার দুর্দিনে পাশে ছিলো। এখনো তারা ভাল কাজ করে যাচ্ছে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাছির উদ্দীনের সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা, রুহুল আমীন, নিখিল কুমার চাকমা, পেশাজীবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সনদ কুমার বড়ুয়া, স্বপন কুমার দে, প্রকৌশলী মো. রুবায়েদ, রাঙামাটি সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ তুষার কান্তি বড়ুয়া, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ তাসাদ্দিক হোসেন কবিরসহ সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জনগনের দল, জনগনের কল্যাণেই আওয়ামীলীগ জাতির জনকের নেতৃত্বে অতীতে যেভাবে কাজ করেছিল ঠিক সেভাবে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সম্মানটুকু আমাকে দিয়েছেন তা আমি রাঙামাটিবাসী তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকলকেই উৎসর্গ করলাম। যতদিন বেচেঁ আছি ততদিন জনগনের কল্যাণেই কাজ করে যাব।

অনুষ্ঠানে দলের নেতা-কর্মীরা দীপংকর তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেষ্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন।