ব্রেকিং নিউজ

চবিতে প্রফেসর শিরীণের উপাচার্যের দায়িত্বগ্রহণ নিয়ে“বিভ্রান্তি”

॥ চট্টগ্রাম ব্যুরো ॥

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের দায়িত্বগ্রহন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে প্রতিষ্ঠানটির একটি বিশেষ মহল। ১৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রনালয় ১৩ই জুন এক চিঠিতে বর্তমান উপ-উপাচার্যকে রুটিন দায়িত্বপালনের নির্দেশনা প্রদান করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৩ জুন বিকেল তিনটার দিকে প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারকে রুটিন দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দিয়ে একটি চিঠি পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব হাবিবুর রহমান। ওই চিঠিতে এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকরের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী ১৩ জুন বিকেল ৫টার দিকে উপ উপাচার্য প্রফেসর শিরীণ উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালনের দায়িত্বভার গ্রহনের একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেন এবং তা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে একটি মহল। উপ উপাচার্য মূলত মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা কার্যকর করতে দায়িত্বভারগ্রহন সংক্রান্ত চিঠিতে স্বাক্ষর করে মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করেন।

জানা গেছে, ১৪ জুন বর্তমান সদ্য বিদায়ী উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ১৩ জুন বৃহষ্পতিবার হওয়ায় ওইদিন তাঁর শেষ কার্যদিবস হিসেবে গণ্য হয়। ফলে ১৩ জুন অপরাহ্ন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদটি শূন্য হয়ে যায়। তাই শিক্ষা মন্ত্রনালয় ১৩ জুন চিঠি পাঠিয়ে উপ উপাচার্যকে রুটিন দায়িত্বভার গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রুটিন দায়িত্বের বিষয়ে চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, ১৩ জুন অপরাহ্নে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের চিঠি পাওয়ার পর আমি উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালনে সম্মতি আছি মর্মে একটি চিঠি মন্ত্রনালয়ে পাঠাই। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কিছু নেই।