জিতু মুৎসুদ্দি নামক আইডি থেকে পাহাড়ি নারীকে কুপ্রস্তাবঃ ফেইসবুকে সমালোচনার ঝড়!

॥ সচেতন পাঠক – ফেইসবুক থেকে ॥

রাঙ্গামাটির ফেইসবুক কমিউনিটি বর্তমানে কিছু স্ক্রিনশট নিয়ে বেশ সরগরম। উক্ত স্ক্রিনশটগুলোতে রয়েছে জিতু মুৎসুদ্দি নামের এক যুবক কর্তৃক এক পাহাড়ি মেয়েকে পাঠানো বেশ কিছু অশ্লীল ম্যাসেজ। ম্যাসেজে জিতু মুৎসুদ্দি ইনিয়ে বিনিয়ে নানাভাবে মেয়েটিকে ভোগ করার আকাংখা প্রকাশ করছে আর সেই সাথে চাইছে ন্যুডস!

১৬ জুন সকাল ১১টায় Nona Haji Changma নামে এক আইডি থেকে জিতু মুৎসুদ্দির এইসব কুকীর্তি ফাঁস হয়। ফেইসবুকে সেসব স্ক্রিনশট ফাঁস হওয়ার সাথে সাথে সমালোচনার ঝড় উঠে ফেইসবুক পাড়ায়। মানুষ গণহারে ওই পোস্ট শেয়ার করে নিজেদের ক্ষোভ ঝাড়তে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই জিতু মুৎসুদ্দি একজন ওমান প্রবাসী। নানা সময় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় দুঃস্থদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে তিনি অনেকেরই আস্থা আর শ্রদ্ধাভাজন হয়েছেন। নানা সময় পাহাড়ি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে দরিদ্র অসুস্থ রোগীদের জন্য অর্থ প্রেরণ, শীত বস্ত্র বিতরণসহ নানা কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকার কারণে পাহাড়ি কমিউনিটিতে বেশ সুপরিচিত তিনি। ঠিক এই পরিচিতিটাকেই কাজে লাগিয়ে পাহাড়ি মেয়েদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে তাদের নানাভাবে লোভ দেখিয়ে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে এই জিতু মুৎসুদ্দি।   

এদিকে এই ঘটনায় বেশ উত্তপ্ত সামাজিক মাধ্যম। পলাশ চাকমা জুম্ম নামে একজন তার ফেইসবুক ওয়ালে লিখেছেন, “মুতসুদ্দি বাবুর সাথে গুটিকয়েক তথাকথিত মানবতাবাদীর দহরম মহরম সম্পর্ক অনেক আগেই দৃষ্টিগোচর হয়েছে।এদের কোলে চড়েই এইসব লম্পটরা জুমঘরের অন্দরমহলে ঢোকার সাহস পায়।খাইতে দিলে শুইতে চাওয়া এই মুতসুদ্দিদের জিনগত বৈশিষ্ট্য।সামাজিকভাবে স্বাধীন পাহাড়ী নারীদের কাছ থেকে সামান্য উপযোগী আবহাওয়া পেলেই এরা শোবার ঘরে নিয়ে যেতে চায়।যারা খাল কেটে এইসব কুমিরদের পাহাড়ী লোকালয়ে নিয়ে আসে তাদেরকে নিয়ে ও আমাদের ভাবার সময় এসেছে।”

তোভাহ সজীব নামের আরেকজন লিখেছেন, “বিভিন্ন কমেন্ট আর পোস্ট দিয়ে চিদোলীদে(পাহাড়ি কন্যাদের) ফাদে ফেলে নিজের চাহিদা পুরন করা তার উদ্দেশ্য। সময় থাকতে ফাদে পরার আগে যারা এই জারগো বোরগোর(জিতু মুৎসুদ্দি) ফ্রেন্ড আছেন ব্লক দিয়ে দেন। তা নাহলে আপনার ছবি সহ হয়তো মেসেজও স্ক্রিনশট হয়ে এভাবে বেরিয়ে আসবে”

কেএসমং মারমা মং নামের আরেকজন লিখেছেন, “মানবতার আড়ালে এরা পাহাড়ি রমণী ভোগ করতে চায়। আমরা পাহাড়িরা তো বোকা ও সহজ সরল জাতি। কেউ যদি আমাদের পক্ষে দুই একটা কথা বলে,তাহলে আমরা তাদের অনেক আপনজন মনে করি, এজন্য বার বার আমরা ধোকা খেয়ে থাকি।”