দূর্গম এলাকায় পানির সুব্যবস্থা দিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত জুরাছড়ির উপজেলা প্রশাসন

॥ স্মৃতিবিন্দু – জুরাছড়ি ॥

রাঙ্গামাটি জেলাধীন প্রত্যন্ত জুরাছড়ি উপজেলায় পাহাড়ের বসবাসরত প্রান্তিক জনগোষ্টিদের পানির সু ব্যবস্থা দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। ২০ জুন বৃহস্পতিবার পেক পাড়া গ্রামে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানির সু ব্যবস্থা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাসি খুশি মন নিয়ে কয়েকজন তরুণী বলেন, এর আগে অনেক কষ্ট করে পাহাড় ডিঙিয়ে বাড়ীতে পানি সংগ্রহ করতে হত বর্তমানে সেই কষ্ট লাঘব করে দিয়েছেন জুরাছড়ি উপজেলা প্রশাসন। শুধু গ্রামে নয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরও এমন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা থেকে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে এলাকার উন্নয়ন ত্বরানিত করার জন্য। তাই পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক দূর্গম এলাকায় পানির সুব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি জানান, পাহাড়ে সবুজ বনকে আমাদের রক্ষা করতে হবে এজন্য প্রত্যেক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে জনসাধরণকে সচেতন করে যাহাতে ছোট ছোট ছড়াগুলো আমাদের বাঁচিয়ে রাখা যায় সেজন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা জানান, জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আমাদের উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে হবে। দূর্গম এলাকায় বসবাসকারীদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে পানি,তাই প্রত্যকটি গ্রামে পানির সুবিধা পৌছে দিতে পারলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অনেক সার্থকতার জীবন দৃষ্টান্ত হয়ে বলে মন্তব্য করেন।তিনি আরো জানান,বিগত পাঁচটি বছর ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালিন সময়ে অনেক দূর্গম গ্রামের মেয়েদের পানির কষ্টের স্বচোখে দেখিছিলাম নির্বাচনী ইসতেহার মোতাবেক সবকিছু পূরণ করে দিতে নাপারলেও কিছুতা এদের সুব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রচেষ্টায় ছিল উপজেলা পরিষদ।এবারে পূনরায় নির্বাচিত হয়েছি,তাই জনগণের কল্যাণে আগামীতেও এলাকায় সুধীজনদের মতামতের ভিক্তিতে আলোচনা করে সমস্যগুলো চিহ্নিত করে প্রত্যক দূর্গম প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের পানির সুব্যবস্থা করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়েছেন রিটন চাকমা।

দূগম এলাকা থাচি পাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য সমির কান্তি চাকমা’র সাথে দেখা হলে নিজের ওয়ার্ডের কি কি উন্নয়নের সমস্যা রয়েছে জানতে চাইলে তিনি আলাপচারিতায় বলেন,ইউপি চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা ও বিগত উপজেলা পরিষদের প্রচেষ্টায় নিজের গ্রামের পানির সুব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন,আবার যদি আমতলা গ্রামের জনসাধরণের জন্য পরিষদ পানির সুব্যবস্থা করে দিতে পারেন তা হলে নিজের ওয়ার্ডের জনগণ কষ্টের পথ ডিঙিয়ে মুক্তির পথ খুজেঁ পাবেন এমনই প্রত্যাশা করেন।