বাঘাইছড়িতে উপজেলা প্রশাসনের বন্যা পরবর্তী সতর্কতা

॥ বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা পাঁচদিন বন্যার পর পানি নামতে শুরু করেছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নানাবিধ পানিবাহিত রোগ বালাইয়ের আতংক তাই সতর্কতা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন বাঘাইছড়ি নামে ফেইসবুক একাউন্ট থেকে এই সতর্কতা মূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবীব জিতু,  তাহা হুবহু আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলোঃ-
১. নদী-নালা, খাল-বিলের পানি এমনকি রিং-ওয়েল এর পানি সরাসরি পান করা নিরাপদ নয়।
২. পানি সংগ্রহ করে পরিস্কার কাপড়ের সাহায্যে ছেঁকে নিন। এরপর কমপক্ষে আধা-ঘন্টা ফুটিয়ে পান করুন।
৩. পানি ফুটানো সম্ভব না হলে স্বাস্থ্য বিভাগ হতে সরবরাহকৃত পানি বিশুদ্ধিকরণ (হ্যালাজেন ১৫ মি.গ্রা.) ট্যাবলেট দিয়ে পানি বিশুদ্ধ করে পান করুন।
৪. ঢাকনাযুক্ত অধাতব যেমন মাটি/কাঁচ/প্লাস্টিক পাত্রে (বেশি দুষিত) ১.৫ লিটার থেকে ৩লিটার ( কম দুষিত) পানিতে ১টি হ্যালাজেন ১৫মি.গ্রা. বড়ি ছেড়ে দিন এবং আধা ঘন্টা থেকে ১ঘন্টা পর ব্যাবহার করুন।
৫. হ্যালাজেন বড়ি ১৫মি. গ্রা. না থাকলে স্বাস্থ্যকর্মী অথবা নিকটষ্ট কমিউনিটি ক্লিনিকে যোগাযোগ করুন।
৬. বন্যা পরবর্তী সময়ে ডায়ারিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়।ডায়ারিয়া হলে রোগীকে স্বাভাবিক সব খাবার  দিন। পাশাপাশি ঘন-ঘন খাওয়ার স্যালাইন (ORS) খাওয়ান। ডায়ারিয়া আক্রান্ত দুগ্ধ-পোষ্য শিশুকে অবশ্যই বুকের দুধ খাওয়াবেন।
৭. বন্যায় অসুস্থ (যেমন ডায়ারিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ইত্যাদি),  আঘাতপ্রাপ্ত, সাপে কাটা রোগীর জন্য মেডিকেল টিম অথবা হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সহায়তা নিন।
৮. বন্যায় মৃত পঁচা পশুপাখি মাটিতে পুঁতে রাখুন। কারন এগুলি রোগ ছড়ানোর অন্যতম উৎস।
৯. বাড়ির আশপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন, প্রতিবেশীকেও উদ্বুদ্ধ করুন এবং নিরাপদ থাকুন।