বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময় ২দিন!

॥ রাজস্থলী প্রতিনিধি ॥

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ২দিনের মধ্যে মাসিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে চন্দ্রঘোনা বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে গ্রাহকেরা। তবে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ এ ঘটনা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

অভিযোগে জানা গেছে গত সোমবার দুপুর ও বিকালে রাজস্থলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বাসায় দোকান পাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিল পৌছে দেওয়া হয়। বিলে দেখা যায়, গেল জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ সময় নির্ধারণ করে দেওয়া আছে ১৭ জুলাই অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময় মাত্র ২ দিন। তাও সন্ধ্যা বেলায় বিদ্যুৎ বিল পেয়ে অনেক গ্রাহক হতাশা ভোগ করছে। সেই হিসাবে বিল পরিশোধের সময় মাত্র ২দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার ও বুধবার দিনটি বরাদ্দ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের এভাবে ২ দিনের মধ্যে বিল পরিশোধের সময় বেধে দেওয়া টাকে তামাশা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছেনা গ্রাহকরা।

গ্রাহকদের অভিযোগ কয়েকদিন ধরে রাজস্থলীতে ভারী ও হালকা বর্ষণ চলছে। এতে বিল পরিশোধের জন্য শুধু ২-১ দিন সময় বেধে দেওয়ায় কোনভাবে যুক্তিকতা নয়। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বিল পরিশোধের একমাত্র দিনটিতে রাজস্থলী কৃষি ব্যাংকে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের অতিরিক্ত চাপের কারনে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। কয়েকককটি বিদ্যুৎ বিল কপি যাচাই করে দেখা যায়, বিল পরিশোধের শেষ তারিখ উল্লেখ আছে। চলতি জুলাই মাসের ১৭ তারিখ। তবে কি কারনে গ্রাহকদের কাছে বিলের কপি পৌছে দিতে এতটা সময় লেগেছে সে বিষয়ে সঠিক উত্তর দিতে পারেনি, বিদ্যুৎ বিভাগ চন্দ্রঘোনা আবাসিক কার্যালয়। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন কার্যক্রম ও নিয়তি প্রতিমাসে অতিরিক্ত বিলসহ গ্রাহক হয়রানি অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে একজন মিটার রিডার নিয়োগ করেছেন যা বৈধ নয় বলে জানা গেছে। প্রকৃত পক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রাহক হয়রানির থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এলাকাবাসী দাবী জানান উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ ছাদেক জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি জেনেছি। আগামী সমন্বয় মিটিংএ এবিষয়ে উপস্থাপন করা হবে।