প্যানেল মেয়রের বদান্যতায় ৭ দিন পর আবর্জনার বিষচক্র হতে মুক্তি পেল প্রাণের শহর!

॥ সৌরভ দে – নির্জন ॥

ব্যাপারটি ছিল শহরের ইমেজের। দেশের সবচেয়ে আকর্ষনীয় পর্যটন জেলা হওয়ার কারণে পর্যটকদের তীর্থক্ষেত্র রাঙ্গামাটি শহর। তবে রাজস্বখাত থেকে বেতন প্রদান ও পেনশনের দাবিতে পৌরকর্মীরা আন্দোলনে থাকায় পর্যটন শহরটি পরিণত হয়েছিল আবর্জনার পাহাড়ে। পৌরকর্মীদের দাবী ন্যায্য হলেও এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়ে যায় শহরের নাগরিকসহ ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। বিশেষত পর্যটকদের সামনে শহরের এমন দুরবস্থা অনেকটা ইমেজের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় পৌরসভার কাছে।

বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পেরে পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন ও কাউন্সিলররা মিলিতভাবে উদ্যোগে নেন নিজের শহরকে পরিচ্ছন্ন করার। শনিবার বিকেলে নিজেই দাঁড়িয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা অপসারন তদারকি করেন প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন। তিনি শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা বনরুপাসহ অলিতে গলিতে গিয়ে সকল ময়লা অপসারন করান। সাময়িক এই দুর্গতির জন্য শহরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি।

এসময় ময়লা পরিষ্কারকারী এক কর্মীর সাথে কথা হলে জানা যায়, তার সহকর্মীরা সবাই আন্দোলনে ব্যস্ত, তিনি প্যানেল মেয়রের ডাকে শহর পরিষ্কারে নেমেছেন। এই কাজের জন্য তারা জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, নিজের শহরকে এমন অবর্জনায় ভর্তি দেখে তার নিজেরও কষ্ট হয় কিন্তু বর্তমান বেতনে তার সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় তাই বাধ্য হয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছেন।

এদিকে প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলরদের এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভূয়সী প্রশংসিত হয়।