ব্রেকিং নিউজ

কাউখালীতে কৃষক মাঠ স্কুল কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদ ও ইউএনডিপি কর্মকর্তারা

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

বৃহস্পতিবার (১অক্টোবর) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও এসআইডি-সিএইচটি, ইউএনডিপি-এর যৌথ কার্যক্রমে পরিচালিত কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া পূর্ব লুংগি পাড়া কৃষক মাঠ স্কুল কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদ ও ইউএনডিপি কর্মকর্তারা। ড্রিস্টিক ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যগণ কর্তৃক প্রকল্পের কর্মকান্ডগুলো পরিদর্শিত হয়।

পরিদর্শন দলের নেতৃত্ব দেন জেলা কৃষি বিভাগের আহ্বায়ক ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা। এ সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সাধন মনি চাকমা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বরুন কুমার দত্ত, রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্দ্যান) কাজী শফিকুল ইসলাম, কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপন চাকমা, ইউএনডিপি-এসআইডি-সিএইচটি এর এফএফএস এক্সপাট এ কে এম আজাদ রহমান, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা ডাঃ সুকিরন চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প পরিদর্শন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় পার্বত্য এলাকায় কৃষি উৎপাদন অনেকাংশে কম। কারণ ফসল উৎপাদনের অনেক আধুনিক পদ্ধতি এখানকার কৃষকদের জানা নেই। বক্তরা বলেন, প্রকল্প হতে কৃষকরা প্রশিক্ষনের মাধ্যমে যেসকল জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা নিজ নিজ গ্রামের কৃষক পর্যায়ে ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। আপনাদের সাফল্য দেখে অন্য কৃষরাও আধুনিক পদ্ধতি গ্রহনে আগ্রহী হবে। বক্তরা বলেন, এখনো অনেক কৃষক-খামারীরা ফসল, মৎস্য ও গবাদি পশুর নানারকম সমস্য দেখা দিলে প্রাণী-মৎস্য ও কৃষিবিদদের পরামর্শ গ্রহন করেনা। ফলে ক্ষতির পরিমানটা বেশী হয় এবং পরবর্তীতে উৎপাদনে অনাগ্রহী হয়ে যায়।

বক্তরা বলেন, খামারী ও কৃষকদের অফিস মুখী হতে হবে এবং নিজ নিজ ফসল ও গবাদি পশুর ক্ষতির কারণ নিরসন ও স্বল্প সময়ে বেশী বেশী ফল-ফসল উৎপাদনের সঠিক নিয়মগুলো কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গ্রহন করতে হবে। সরকারি দপ্তর হতে যে সকল সেবা পাওয়া যায় তা কৃষকদের গ্রহন করারও পরামর্শ দেন বক্তরা।