বরকলে আটককৃত ৪ চাঁদাবাজকে নিরীহ দাবী করে জেএসএস’র প্রতিবাদ

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

১৫ আগস্ট ২০১৯ রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলাধীন সুবলং ইউনিয়নের কাত্তলী বাজার থেকে সেনাবাহিনী ও বিজিবি কর্তৃক স্থানীয় সাধারণ চার গ্রামবাসীকে গ্রেফতারের ঘটনাকে কতিপয় অনলাইন নিউজপোর্টালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে “জেএসএস(সন্তু লারমা গ্রুপ)- এর ৪ সশস্ত্র চাঁদাবাজ আটক” বলে উল্লেখ ও প্রচার করায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

জানা গেছে, সেনা ও বিজিবি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত সুনীল চাকমা (৩৫) পীং-শান্তি কুমার চাকমা, হিমেল চাকমা (৩৩) পীং-ধর্ম চন্দ্র চাকমা, আপন চাকমা (৩০) পীং-ভাগ্যচন্দ্র চাকমা ও সাধন চাকমা (২৭) পীং-ধর্ম চন্দ্র চাকমা কাত্তলী বাজার এলাকার রাধামনপাড়ার সাধারণ গ্রামবাসী। তবে বরকল উপজেলার জনৈক কাঠ ব্যবসায়ী মো: ইউসুফের সাথে তাদের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব আছে বলে জানা যায়।

জানা গেছে, ব্যবসায়ী মোঃ ইউসুফ ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পন্ন না করে গাছের নৌকা নিয়ে যেতে চাইলে উক্ত চার ব্যক্তি গাছ নিয়ে যেতে নিষেধ করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার জের ধরেই ব্যবসায়ী মোঃ ইউসুফই শত্রুতামূলকভাবে উক্ত চার নিরীহ ও নিরস্ত্র ব্যক্তিকে সেনা ও বিজিবি সদস্য দিয়ে তথাকথিত’সশস্ত্র চাঁদাবাজ’ সাজিয়ে আটক করিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, উক্ত গ্রেফতারকৃত চার গ্রামবাসী জনসংহতি সমিতি বা জেএসএস’এর সদস্য নয় এবং কোন কমিটির সাথে সম্পৃক্তও নয়। তবুও সেনাবাহিনীসহ একটি কায়েমি স্বার্থবাদী মহল মিথ্যাভাবে ও হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উক্ত চার গ্রামবাসী গ্রেফতারের ঘটনাকে “জেএসএস (সন্তু লারমা গ্রুপ)’র ৪ সশস্ত্র চাঁদাবাজ আটক” বলে অপপ্রচার করে চলেছে, যা উদ্বেগজনক।

জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে এধরনের অপপ্রচার ও বানোয়াট অভিযোগ এবং নিরাপত্তাবাহিনী কর্তৃক যত্রতত্র হস্তক্ষেপ ও নিরীহ মানুষ গ্রেফতার বা হয়রানি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গভীর ষড়যন্ত্র বৈ আর কিছু নয় বলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি মনে করে। জনসংহতি সমিতি আটককৃত চার নিরীহ গ্রামবাসীকে অচিরেই নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।