রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পিবিসিপি’র নিন্দা ও প্রতিবাদ

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনা সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় পিবিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার নিন্দা ও প্রতিবাদ।

১৮ই আগস্ট রাঙামাটির রাজস্থলীতে টহলরত সেনাবাহিনীর উপর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্রপরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখা। বিজ্ঞপ্তিতে পিবিসিপির জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশের গৌরব সেনাবাহিনীর উপর হামলার ধৃষ্টতা দেখিয়ে সন্ত্রাসীরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। যা ক্ষমার অযোগ্য।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সন্ত্রাসীরা একের পর এক হত্যাকান্ড ঘটালেও প্রশাসন তাদের বিচার করতে ব্যার্থ হচ্ছে, যার ফলে সন্ত্রাসীরা ক্রমাগত বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের লাগম টেনে ধরতে সরকারের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যথায় ভবিষ্যতে পার্বত্য চট্রগ্রামের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেসামাল হয়ে যাবে। নেতৃবৃন্দ উদ্বেগের সাথে বলেন, আন্তর্জাতিক কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিয়ে এদেশের কিছু বুদ্ধিজীবী নামের ভাড়াটিয়ারা পার্বত্য অঞ্চলকে জুম্মল্যান্ড করার কাল্পনিক স্বপ্ন বাস্তবায়ণে দিশেহারা হয়ে উঠেছে।

পিবিসিপির জেলা সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদেরকে আদিবাসী বানানোর প্রচেষ্টা,পাহাড় থেকে বাঙালি অপসারণের দাবি, পাহাড় থেকে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার, টহলরত সেনাবাহিনীর উপর হামলা, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে পার্বত্য অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ দাবি করে সমাবেশ করা জুম্মল্যান্ড বাস্তবায়ণ চেষ্টার ধারাবাহিকতার অংশ। তাই এ ধরণের রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রে যে বা যহারা জড়িত তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যথায় দেশেরে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্য অঞ্চল সহ দেশের সর্বস্থরের জনগণকে সাথে নিয়ে উপজাতী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন সংগঠনটি।