মিথ্যা তথ্যদিয়ে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে দুদু মিয়ার প্রতিবাদ

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

রাঙামাটি শহরের সিলেটি পাড়া এলাকাবাসীর ব্যানারে গত রোববার তথাকথিত মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সম্পূর্ন মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে একটি পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ এনে দুদু মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হয়েছে। উক্ত প্রতিবাদ পত্রে জানানো হয়, দুদু মিয়ার পরিবারের কারনে নাকি এলাকাবাসী নির্যাতিত হচ্ছে। অথচ ঘটনার সম্পূর্ন রূপ পাল্টিয়ে প্রিয় সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য তুলে ধরেন কিছু চিহ্নিত অপরাধী চক্র। প্রতিবাদ পত্রে দুদু মিয়ার পুত্র ফখরুদ্দীন বলেন, ১বছর ৮মাস পূর্বে শাহানুর বেগমক’র স্বামী মোহাম্মদ সৈয়দ কে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ১বছরের (মাসিক ১,৫০০/- টাকা ভাড়ায়) আমি আমার নিজ বাসা(হোল্ডিং নং-১৭৯৯) ভাড়া দেই। কিন্তু ৮মাস পূর্বে চুক্তি শেষ হওয়ার পরও শাহানূর বেগম ও তার স্বামী আমার বাসা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায় এবং আমার বিরুদ্ধে ফুলন মিয়া ও তার সিন্ডিকেটের প্ররোচনায় কোর্টে (নারী ও শিশু নির্যাতনের) মামলা করে।

এরই প্রেক্ষিতে আমি কোতয়ালী থানায় অভিযোগ করি। আমার অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এসআই রফিক সমাধানের জন্য বৈঠক বসান কিন্তু শাহানূর বেগম ও তার স্বামী সমাধান না মেনে তার কোর্টে করা মামলা চলমান রাখে। এরপর ফখরুদ্দীন, বিষয়টি সমাধানের জন্য পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীর দারস্ত হন, পৌর মেয়র বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব দেন ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাচিং মার্মা ও ৪,৫,৬নং ওয়ার্ড’র মহিলা কাউন্সিলর সোমা বেগম পূর্নিমাকে। ১০ই মার্চ আমাকে শাহানূর বেগম রাতের অন্ধকারে ফুলন মিয়া ও তার দুই ভাই দুলু মিয়া ও জাহাঙ্গীরসহ তাদের সিন্ডিকেটের আরো ২০/২৫ জন ছেলেদের নিয়ে আমার উপর হামলা করে এ বিষয়ে আমার নিকট হাসপাতালের প্রত্যায়ন পত্র আছে। এরপর কাউন্সিলররা ১৫ মার্চ সরজমিনে তদন্তে এসে সালিশ বৈঠকে বসলে শাহানূর বেগম বাসা ভাড়া নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলে সে ২ শতক জায়গা ক্রয় করেছে। কিন্তু দুই কাউন্সিলর জায়গা কেনার প্রমান চাইলে তা সে দেখাতে ব্যর্থ হয়ে ওনাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। কাউন্সিলররা ও এলাকার লোকজন সালিশে শাহানূর বেগমকে তার মিথ্যা মামলা বাতিল করার অনুরোধ জানান কিন্তু সে তাদের কথা না শুনে আমি ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আরো ৩/৪ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

এরপর ২৯ মে রমজান মাসে ইফতারের পূর্বে ফুলন মিয়া তার ভাই মাদক ব্যাবসায়ী দুলু মিয়া, জাহাঙ্গীরসহ অন্যান্য ভাই ও তার বাবা আলই মিয়াসহ অন্যান্যদের নিয়ে আমাদের বাসার ভিতরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের উপর অতর্কিতহামলা করে। হামলায় আমি আংশিক আহত হই কিন্তু আমার ভাই সিরাজুল ইসলাম ও আমার মা রহমতুন্নেছা বাবা দুদু মিয়াকে গুরুতর আহত হয় এবং তারা রাঙামাটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে যার প্রত্যায়নপত্র আমাদের কাছে আছে। কিন্তু উল্টো ফুলন মিয়া তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কোতয়ালী থানায় আমাদের বিরুদ্ধে তার বাবা আলই মিয়া গুরতর আহত হয়েছেন ও চুরি লুটপাটের মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমার ভাই মো. সালাউদ্দিন যে ওইদিন বাসায় উপস্থিত ছিলো না ও আমাকে অযথা ১০ জেল খাটিয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত ফুলন মিয়ার ভাই মাদক ব্যাবসায়ী দুলু মিয়া তার মাদকসেবী সঙ্গীদের নিয়ে প্রতিনিয়ত সিলেটি পাড়ায় মাদকের আসর বসায় ও নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আমার বাসায় ক্রিজ নিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে এবং বাড়ির মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিচ্ছে। এ বিষয়টি ডিজিএফআই, কোতয়ালী থানা, মেয়র ও কাউন্সিলরদের জানানো হয়েছে।

এরপর ২৮ জুন বিকেলে আমার বোন আম্বিয়া বেগহমকে শাহানুর বেগম তার মেয়ে শারমিন ও তার মেয়রে জামাই জাহাঙ্গীর (ফুলন মিয়ার ছোট ভাই) মিলে মারধর করে। তখন আমি শাহানুর বেগমের (নারী ও শিশু নির্যাতন) মিথ্যা মামলার ফলে জেলে ছিলাম, আমার ভাই মো. সালাউদ্দীন মাছ ব্যাবসায়ী তাই সে তার সওদাগর শাহজাহানের সাথে দেখা করতে বাজারে গিয়েছিলো, ছোট ভাই সিএনজি চালাচ্ছিল আমার বাবা গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিলো। তাই বাসায় থাকা মহিলারা আমার বোনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। কিন্তু শাহানুর বেগম ফুলন মিয়া ও তার সিন্ডিকেটের প্ররোচনায় নিজের গায়ে নিজে মরিচ ছিটিয়ে দিয়ে আমার পরিবারের সকলের বিরুদ্ধে তাকে উলঙ্গ করে গোপনাঙ্গে মরিচ লাগিয়ে দেয়ার ও তার বাসায় লুটপাটের সাজানো মিথ্যা মামলদায়ের করে ও হাসপাতাল থেকে প্রত্যায়নপত্র সংগ্রহ করে।

এরপরদিন সন্ধ্যার পর আমার ছোটভাই সিরাজুল ইসলাম সিএনজি চালিয়ে ঘরে ফেরার পথে ফুলন মিয়া ও তার সিন্ডিকেটের লোকজন নিয়ে তার উপর আতর্কিত হামলা করে। এতে তাকে গুরুতর আহত করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ও তাকে একদিন হাসপাতালে রেখে তাকে জলে হাজতে প্রেরন করা হয় ওই ঘটনায় আমার ভাইকে বাচাতে গিয়ে পরিবারের বাকিরাও আহত হয়। এর কিছুদিন পর আমার বাবা তবলছড়ি বাজারে হোটেল শাহান শাহ এ চা খাচ্ছিলেন তখন শাহানুর বেগম আমার বাবাকে জুতাপেটা করে। সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের সংগ্রহে আছে। সিরাজুল ইসলামের উপর ফুলন এন্ড সিন্ডিকেটের অতর্কিত হামলায় দায়ের করা মামলর তদন্ত করতে ওসি তদন্ত খান নুরুল ইসলাম আমাদের কাউকে না জানিয়েই এলাকায় আসেন। ওনারা যাওয়ার পরপরই শাহানুর বেগম ও ফুলন এন্ড সিন্ডিকেটের হৃদয়, তার মা, সোহেল, আফাজ, রিয়াজ, শাহ আলম সহ আরো অনেকে আমাদের বাসায় উপস্থিত থাকা মহিলাদের উপর হামলা করে যার রেকডিং আমাদের কাছে আছে।