বাঘাইছড়িতে ৯ মাসে ১২ খুনঃ ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামীরা!

॥ ওমর ফারুক সুমন ॥

বাঘাইছড়িতে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক্র ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) দলের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ৯ মাসে ১২ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় আহত হয় আরো ৩৫ জন। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ নির্বাচনী কর্মকর্তারাও নিস্তার পায়নি তাদের গুলি থেকে। এসব ঘটনায় মামলা হলেও মূল আসামীরা ধরাছুয়ার বাহিরে।

৪ জানুয়ারী ২০১৯ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের মধ্যে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে ২ বার এতে সুমন চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয় এবং দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া নিজেদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধে জড়িয়ে একাধিকবার, উক্ত ঘটনায় মামলা হলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে কাজ করতে পারছে না পুলিশ এছাড়া সন্ত্রাসীদের নিয়মিত হুমকিতে আতঙ্কিত পুলিশ ও সাধারন মানুষ।

এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার ওসি এম এ মনজুর বলেন, বাঘাইছড়ি থানায় বিগত ৯ মাসে ১২ টি হত্যাকান্ড ঘটে, প্রতিটি হত্যায়ই টার্গেট কিলিং বলে মনে হয়েছে, ইদানীং তাদের দৌরাত্বটা বেড়েছে এখন তারা মোবাইল ফোনে আমাকেও গুলি করার হুমকি দিচ্ছে। আমি ৭ সেপ্টেম্বর নিজ থানায় একটি ডায়রিও করছি এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষেও বিষটি অবহিত করেছি। বাঘাইছড়িতে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে উঠেছে। বাঘাইছড়ির সাধারন মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের একটাই দাবী সেনা ক্যাম্প ও র‍্যাব ক্যাম্প বাড়িয়ে চিরুনী অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের লাগাম টেনে ধরা।

এ বিষয়ে বার বার চেষ্টা করেও কোন দলের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।