রাঙ্গামাটিতে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

॥ শহীদুল ইসলাম হৃদয় ॥

জেলা প্রশাসক একে এম মামুনুর রশিদ বলেন, শান্তিপূর্ন সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হবে শারদীয় দূর্গা পূজা।উৎসব চলাকালীন কোনো সমস্যা পরিলক্ষিত হলে জেলা প্রশাসকের কন্ট্রোল রুম ৬২১২১ অথবা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে জানাতে পারেন।নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক আরো বলেন,পূজা মন্ডপের পাশাপাশি মসজিদ থাকলে দুপক্ষ সমন্বয় কমিটি গঠন করে স্ব স্ব ধর্মীয় কার্যক্রম বহাল রাখবেন।নামাজ ও আজানের সময় বক্স-মাইক বন্ধ রাখতে হবে।রাত ১১ টার পর মাইক বন্ধ করে দিতে হবে।কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যার দুর্গা বিসর্জন করতে হবে।

ডিসি বলেন,রাঙামাটি পার্বত্য জেলার শারদীয় দুর্গোৎসব এর তালিকা অনুযায়ী মোট ৪২টি পূজা মন্ডপ রয়েছে সদর উপজেলায় ১৪টি,বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৪টি,লংগদু উপজেলায় ৪টি,বরকল উপজেলায় ২টি,জুরাছরি ১টি,বিলাইছড়ি উপজেলায় ১টি,কাপ্তাই উপজেলায় ৭টি,কাউখালী উপজেলায় ৪টি,রাজস্থলী উপজেলায় ৩টি,নানিয়ারচর উপজেলায় ২টি।মোট ৪২টি পূজা মন্ডপে সরকারি বরাদ্দ সমান ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে।

বুধবার ১১ টায় আসন্ন পূজা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এইসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন,প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও শারদীয় দুর্গা পূজায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জোরদার থাকবে, আপনারা যারা পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা আছেন তারা সার্বক্ষণিক একটি কথা মনে রাখতে হবে দুর্গা বিসর্জনের সময় যখন র‍্যালী নিয়ে নিজ নিজ পূজা মন্ডপ থেকে বাহির হবেন তখন কোনো পথচারীদের গায়ে যাতে রং মারা না হয় এই বিষয়টি আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।রং খেলায় সাধারণ মানুষ বা পথচারীদের কোনো রকম ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এসপি আরোও বলেন,উৎসবের সময় কিছু বখাটে ছেলেরা মদ্যপানের আড্ডায় বিভোর থাকে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম শফি কামাল,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম,কোতোয়ালি থানার অফিস ইনচার্জ মীর জাহেদুল হক রনি,প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন সহ জেলা ও উপজেলা দুর্গা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ।