ব্রেকিং নিউজ

রাঙ্গামাটি প্রাণীসম্পদ দপ্তরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ভেটেরিনারি ঔষুধ বিতরণ

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত আহবায়ক রেমলিয়ানা পাংখোয়া বলেছেন, এ জেলার দেশীয় জাতের গরু-ছাগল-হাঁস-মুরগীর চাহিদা সারা দেশে রয়েছে ব্যাপক। যেটা কোরবানির ঈদে লক্ষ্য করলে দেখা যায় এখান থেকে গবাদী পশুগুলো খামারীদের কাছ থেকে ক্রয় করে অন্য জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি গবাদী পশুর চাহিদার কথা চিন্তা করে দুর্গম এলাকায় গবাদী পশু পালনের উদ্যোগকে আরো বেশী বেগবান করতে প্রানীসম্পদ বিভাগের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান ।

বৃহস্পতিবার (১৯সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রানীসম্পদ দপ্তরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের অর্থায়নে জেলা ও ১০উপজেলার প্রানীসম্পদ কর্মকর্তাদের হাতে গবাদি পশু ও হাঁস মুরগীর ভেটেরিনারি ঔষুধ বিতরণ কালে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া বলেন, প্রানীসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে পার্বত্য অঞ্চলের ভ’মিকা রাখা সম্ভব। এই সম্ভাবনাময় খাতকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই চেষ্টা বাস্তবায়নে প্রাণীসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের ভ’মিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জেলার দূর্গম এলাকার খামার শিল্পের উন্নয়নে পরিষদের অর্থায়নে এ ঔষুধগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। পরিষদ হতে যা আগে করা হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রকৃত খামারীরা ওষুধগুলো সঠিকভাবে গবাদী পশু পাখির রোগমুক্তির জন্য ব্যবহার করে তাদের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘঠাতে পারে। তিনি খামারীদের সু পরামর্শ প্রদানে জেলা ও উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিতরণকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বরুন কুমার দত্ত, জেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ দেবরাজ চাকমা, বরকল উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন পলি দে’সহ বিভিন্ন উপজেলার প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জনগন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জেলা ও উপজেলা প্রানীসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে প্রানীসম্পদ দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত আহবায়ক রেমলিয়ানা পাংখোয়া। সভা শেষে তিনি ১০উপজেলার প্রানী সম্পদ কর্মকর্তাদের হাতে ঔষধপত্রগুলো প্রদান করেন।