ব্রেকিং নিউজ

স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন প্যানেল মেয়র!

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাঙামাটি সদর উপজেলার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন রাঙ্গামাটি শহরের (পৌরসভার সংলগ্ন) কাঠালতলীর মৎস্য জলাশয়ের জলাবদ্ধ প্রতিবন্ধকতা দূর করতে রাঙামাটির বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সেচ্ছাসেবীদের সাথে কচুরিপানা স্বেচ্ছাশ্রমে অপসারণ করা হয়েছে।

স্বেচ্ছাশ্রমের এই কর্মযজ্ঞে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সাথে কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন।

আজ বুধবার রাঙামাটির বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনগুলোর উদ্দেগ্যে সকাল দুপুর পর্যন্ত জলাশয়টিতে প্রায় অর্ধ শতাধিক সেচ্ছাসেবী সেচ্ছাশ্রমের সহযোগিতায় এ কচুরিপানা অপসারণ করা হয়।

জলাবদ্ধ এলাকার খালে পানি প্রবাহের প্রতিবন্ধকতা ও এলাকার জনসাধারনের কথা চিন্তা করে এ কচুরিপনা অপসারণের জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করা হয়। জলাশয়টিতে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে কুচুরিপনা রয়েছে। কচুরিপনা অপসারণের করতে আরো বেশ কয়েকদিন লাগতে পারে। বর্তমানে তা অনেক অংশেই পরিষ্কার করা হয়েছে। বাকিটুকু আস্তে আস্তে করা হবে।

অপসারণ কার্যক্রম শেষে জামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে রেখেছিল। কচুরীপানা জন্ম নেয়ায় প্রাকৃতিক বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে জলাশয়টিতে। সরকারি ভাবে এ কচুরিপানাগুলোর কোন বরাদ্দ না থাকায়, এ সমস্যা সমাধানে তা সেচ্ছাশ্রমে আজ অপসারণ করা হচ্ছে। এভাবে এলাকায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে নদী সংরক্ষণ সহজ হবে। রক্ষা পাবে জলাশয় কেন্দ্রিক পরিবেশ ব্যবস্থা।

তিনি আরো জানান, কচুরিপানা জটের কারণে এলাকার স্থানীয় মানুষের সমস্ত কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। মানুষ কাপড় ধোয়া-পালা, গোসল করতে পারছে না। এই জলাশয়কে ঘিরে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। বর্তমানে তা পরিষ্কার করা হয়েছে সকলের সহযোগিতায়। অত্র এলাকার মানুষের জীবন যাত্রার মান স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।