ব্রেকিং নিউজ

কচুরিপানা অপসারণে স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মেলালেন রাঙ্গামাটির অঃ পুলিশ সুপার

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাঙামাটি সদর উপজেলার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন রাঙ্গামাটি শহরের (পৌরসভার সংলগ্ন) কাঠালতলীর মৎস্য জলাশয়ের দূষনমুক্ত ও জলাবদ্ধ প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সেচ্ছাসেবীদের সাথে কচুরিপানা স্বেচ্ছাশ্রমে অপসারণ করা হচ্ছে।

স্বেচ্ছাশ্রমের এই কর্মযজ্ঞে সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সাথে একত্বতা প্রকাশ করে ও স্বেচ্ছাশ্রমীদের উৎসাহ দিতে সেচ্ছাসেবীদের সাথে ২য় দিনের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন, রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন ও রাঙামাটি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ। একই সাথে এলাকার সাধারণ জনগনও কচুরিপানা স্বেচ্ছাশ্রমে অপসারণ যোগদান করেন।

এলাকার স্থানীয় যুবক ফয়সাল, ইকবাল, মাসুদ, রানা ও রুবেলের নেতৃত্বে আজ বৃহস্পতিবার রাঙামাটির বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনগুলোর উদ্দেগ্যে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জলাশয়টিতে শতাধিক সেচ্ছাসেবী সেচ্ছাশ্রমের সহযোগিতায় এ কচুরিপানা অপসারণ করা হয়।

জানা যায়, রাঙামাটি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের আওতাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন রাঙ্গামাটি শহরের (পৌরসভার সংলগ্ন) কাঠালতলীর মৎস্য জলাশয়টির চারপাশকে ঘিরে কয়েক হাজার জনগণের বসবাস। অধিকাংশ জনগনই এই জলাশয়কে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জলাশয়টিতে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে কুচুরিপনা রয়েছে। যার কারণে জলাশয় ব্যবহারে বেশ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

কচুরিপনা অপসারণের করতে আরো বেশ কয়েকদিন লাগতে পারে। বর্তমানে তা অনেক অংশেই পরিষ্কার করা হয়েছে। বাকিটুকু আস্তে আস্তে করা হবে।

জলাবদ্ধ এলাকার খালে পানি প্রবাহের প্রতিবন্ধকতা ও এলাকার জনসাধারনের কথা চিন্তা করে এ কচুরিপনা অপসারণের জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করা হয়।

অপসারণ কার্যক্রম শেষে জামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে রেখেছিল। কচুরীপানা জন্ম নেয়ায় প্রাকৃতিক বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে জলাশয়টিতে। সরকারি ভাবে এ কচুরিপানাগুলোর কোন বরাদ্দ না থাকায়, এ সমস্যা সমাধানে তা সেচ্ছাশ্রমে আজ অপসারণ করা হচ্ছে। এভাবে এলাকায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে বর্তমানে জলায়শটিকে দূষনমুক্ত ও মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে। এতে করে জলাশয়টি তার পূর্বের রুপ ফিরে পাবে।