স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে ৩য় দিনের মতো শ্রম দিলেন প্যানেল মেয়র

॥ ইকবাল হোসেন ॥

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ দূষনমুক্ত করা ও হ্রদ পানি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে রাঙামাটির জেলার কয়েকটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাঙামাটি শহরের পৌরভবন সংলগ্ন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কাঠালতলীর মৎস্য জলাশয়’র জলাবদ্ধ প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু করে। এতে সংগঠনগুলোর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দীন তাদের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে তিনি প্রতিদিনই সেচ্ছাসেবীদের সাথে নিজ হাতে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন।

শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দীন ৩য় দিনের মতো সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এই ভিন্নধর্মী কার্যক্রমে যোগ দেন এবং নিজ হাতে কাপ্তাই হ্রদ থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করেন। এসময় সকাল থেকেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশগ্রহণকারী রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন সংগঠনের প্রায় অর্ধশতাধিক সেচ্ছাসেবী উপস্থিত ছিলো।

এসময় রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দীন’র সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, পৌরভবন সংলগ্ন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কাঠালতলীর মৎস্য জলাশয়টির অর্ধেক অংশ আমার নির্বাচনী এলাকা ৭নং ওয়ার্ডের মধ্যে পড়েছে। পূর্বে হ্রদের এ অংশটি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ মাছ চাষের জন্য লিজ দিতো। কিন্তু গত কয়েক বছর যাবত তারা লেকের এই অংশটি মাছ চাষের জন্য লিজ দিচ্ছে না। যার ফলে এখানে পুরো লেক কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা দিয়ে পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। যার ফলে এই পানি গোসল বা গৃহস্তলি কাজেও ব্যবহারের উপযুক্ত নেই। তাই রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন সংগঠনের এই উদ্যোগ গ্রহনের বিষয়টি জানতে পেরে আমি ওদের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে গতকাল নিজ হাতে ময়লা আবর্জনা অপসারণ করেছি। আজকেও আমি ওদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ময়লা আবর্জনা অপসারণের কাজ করলাম। এ কাজ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। পূর্বেও আমি এরূপ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করে এসেছি। আগামীতেও এরকম উন্নয়নমূলক কাজে আমি সবার পাশে থাকব।