সুবলং শাখা বনবিহারে ২৭তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান সম্পন্ন

॥ জুরাছড়ি প্রতিনিধি ॥

জুরাছড়ি সুবলং শাখা বনবিহারে আজ শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২৭তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ বুদ্ধ শ্রী মহাস্থবির ফিটা কেটে ২৭তম কঠিন চীবর দানোৎসব শুভ উদ্ধোধন করে সারারাত ব্যাপী সুতা থেকে কাপড় তৈরী করে সমাপনী দিনে এসব কাপড় দান করা হয় উপস্থিত ভিক্ষু সংঘকে। ধর্মীয় উদ্ধোধনী সংগীত শিল্পী পূর্ণিমা চাকমা পরিবেশনায়,নিত্যানন্ত চাকমা উপস্থাপনায় পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন হিরণ বিজয় চাকমা। এতে উপস্থিত সকলের পক্ষ থেকে ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্য বিশেষ প্রার্থনা পাঠ করেন, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ধলকুমার চাকমা। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জুরাছড়ি জোন কমান্ডার লেঃকর্ণেল মাহমুদুল হাসান পিএসসি,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা,জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা,অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্টপোসক প্রবর্তক চাকমা।

জোন কমান্ডার বলেন,জুরাছড়ি উপজেলা দূর্গম হলেও এখানকার লোকজন খুবই শান্ত প্রিয়।সকল ধর্মের শান্তির কথা উল্লেখ রয়েছে,এই শান্তি অটুট রেখে যাহাতে বেীদ্ধ ভিক্ষুরা কোথাও যেন অপমানিত নায় এজন্য জোন জ্ঞাত রয়েছে বলে জানান। তিনি আরো জানান,আমাদের ইউনিট হয়তো জুরাছড়িতে আর বেশীদিন থাকবে না,দায়িত্ব পালনের সময় যদি জানা অজানার ক্ষেত্রে কোন অন্যায় হয়ে থাকে তালে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য আহব্বান বলেন,আগামীতে আমাদের ইউনিটের পরিবর্তে যারা আসতেছে হয়তো তারা আমাদের চাইতে আরো বেশী আপনাদের সহযোগীতা দিতে পারবেন মন্তব্য করেন।

সুরেশ কুমার চাকমা বলেন,বর্তমান জোন কমান্ডারের অবদান জুরাছড়িবাসী কখনো ভুলতে পারবেনা,যেকোন সময় সর্বাতক সহযোগিতা আমাদেরকে দিয়েছেন। এজন্য জুরাছড়িবাসীর পক্ষ থেকে জোন কমান্ডারের প্রতি দীর্ঘআয়ু কামনা করেন।
জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন,বর্তমানে আমাদের মাঝে বরব গলতে শুরু হয়েছে। একসময় অনুষ্ঠানে আসতে মনের মধ্যে ভীতিকর থাকত,বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার সু দক্ষতার কারণে পরিবেশ পাল্টে যাচ্ছে। আমরা যে যার অবস্থানে থাকিনা কেন সকলে একত্রিত থাকলে আমাদের উন্নয়ন করা সম্ভব বলে উপস্থিত সকলের কাছে ব্যক্ত করেন।এছাড়া ও

উপস্থিত পূণ্যার্থীদের উদ্দেশ্য করে স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন রাঙ্গামাটি থেকে আগত জ্যেষ্ট ভিক্ষু শ্রীমৎ জ্ঞানপ্রিয় মহাস্থবির,বোধিনন্দ ভিক্ষু,ধর্মসার মহাস্থবির,বুদ্ধশ্রী মহাস্থবির প্রমূখ। ভিক্ষুরা বলেন,শীল সমাধি প্রজ্ঞা থাকলে প্রতিদিন সকাল বিকাল মৈত্রী ভাবনা করলে ইহকাল পরকাল নিজের এবং পরিবারের উন্নতি সমৃদ্ধি ঘটে।