ব্রেকিং নিউজ

পর্যটন শিল্পের নামে পাহাড়ে চলছে বনসম্পদ ধ্বংস ও পতিতাবৃত্তির বিস্তারঃ জেএসএস’র বিবৃতি

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

রাঙামাটিতে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় পুলিশ প্রধান ড. জাবেদ পাটোয়ারীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। ২৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষে বলা হয়, ড. পাটোয়ারী আইনশৃঙ্খলা সভায় কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক পাহাড়ের পর্যটন শিল্প ধ্বংসের অভিযোগ তুলেছেন কিন্তু এই পর্যটন শিল্পের দোহাই দিয়ে হাজার হাজার একর জমি জবরদখলের কারণেই জুম্মদের শত শত পরিবার উচ্ছেদ হয়ে পড়েছে বা উচ্ছেদের মুখে রয়েছে এবং তাদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ প্রধান ড. পাটোয়ারী বলেছেন যে, “পর্যটনের অপার সম্ভাবনা এই তিন জেলায় রয়েছে, কিন্তু কতিপয় দুষ্কৃতির কারণে এ শিল্পের বিকাশ ঘটছে না, এখানে যদি সব স্বাভাবিক থাকতো, তাহলে সারাদেশের মানুষ একনজর দেখার জন্য এখানে ভীড় জমাতো, শুধু তাই নয়, বিদেশী পর্যটকের প্রচুর আগমন ঘটতো।” অথচ উনারাই বিদেশীদের পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রবেশে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে জুম্মদের সাথে বিদেশীদের কথা বলতে বাধানিষেধ আরোপ করেছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, পার্বত্য চুক্তিতে ‘পর্যটন’ বিষয়টি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন কার্যাবলী। কিন্তু এই পর্যটন বিষয়টি পরিচালনার জন্য পার্বত্য জেলা পরিষদকে যথাযথভাবে এখতিয়ার দেয়া হয়নি। চুক্তিকে লঙ্ঘন করে পার্বত্য জেলা পরিষদকে সীমিত এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। অপরদিকে পার্বত্য জেলা পরিষদকে পাশ কাটিয়ে তথা বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করে নিরাপত্তাবাহিনী ও প্রশাসনসহ বহিরাগত প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তিরা পর্যটন ব্যবসায় জেকে বসেছে এবং পর্যটন শিল্প সম্প্রসারণের নামে বনসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, আদিবাসী গ্রাম উচ্ছেদ, মাদকাসক্তি ও পতিতাবৃত্তি বিস্তার ইত্যাদি অপকর্ম সাধন করে চলেছে।