রাজস্থলীতে শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তি উদযাপিত

॥ রাজস্থলী প্রতিনিধি ॥
“পাহাড়ী বাঙ্গালী ভাই ভাই,দেশ গঠনে এগিয়ে যাই” “সন্ত্রাস নয় শান্তি চাই,শঙ্কামুক্ত জীবন চাই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় কাপ্তাই ২৩ ইঃ বেঙ্গলের উদ্যোগে  ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তির ২২ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা গণমিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, রাজস্থলী সাব জোন কমান্ডার ক্যাপ্টেন সৌমিক ইসলাম। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ২৩ ইঃ বেঙ্গল এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ তৌহিদ উজ জামান  বিএসসি,পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ ছাদেক,উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ আসাদ উজ্জামান লিংকন ,অফিসার ইনচার্জ মফজল আহম্মদ খান, ভাইস চেয়ারম্যান অংনুচিং মারমা, উচসিং মারমা, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তিচুক্তি বর্তমান সরকার সম্পাদন করেন, সে থেকে ধাপেধাপে চুক্তিগুলো বাস্তবায়িত করে আসছেন,ফলে পার্বত্য চট্রগ্রামে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের সুবাতাস বয়ে আসছে।
সম্প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনার কারনে দূর্গম এই রাজস্থলীতে সন্ত্রাসীরা মাথা তুলে দাড়াচ্ছে তাদের প্রতিহত করতে হলে এলাকার সর্বস্তরের জনগনের সার্বিক সহযোগীতা প্রয়োজন। চাঁদাবাজ সন্ত্রাস ও অস্ত্রের ঝনঝনানি যে দলের বা যেকেউ  হোকনা কেন তাদের প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনি ২৩ ইঃ বেঙ্গল বদ্ধ পরিকর।
ইতিপূর্বে এই বেঙ্গল রাজস্থলীতে আসার পরে একটি দৃশ্যমান উন্নয়ন রাজস্থলী ঝুলন্ত ব্রীজটি নির্মান করে জনগনের সুবিধার্থে চলাফেরার সুজোগ করে দেন। সন্ত্রাসীদের আনা গোনা দেখলেই সেনা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন কে অবহিত করার জন্য আহবান জানান।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই চুক্তির উদ্যোগ নেওয়াতে সারা বিশ্বে তিনি ভূয়সী প্রশংসনীয় দাবিদার হিসেবে আক্ষায়িত হয়েছেন। সভা শেষে রাজস্থলী উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে আনন্দ মূখর পরিবেশে শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে  বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সূচনা করে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীটি উপজেলার উত্তর দক্ষিন দিক প্রদক্ষিন করে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের সামনে গিয়ে শেষ হয়।