জুরাছড়িতে শান্তি চুক্তির ২২তম বর্ষপূর্তি উদযাপিত

॥ জুরাছড়ি প্রতিনিধি ॥

পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভায় ১৪৩নং কুসুমছড়ি মৌজার হেডম্যান মায়ানন্দ দেওয়ান’র সভাপতিত্বে ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা’র সঞ্চালনায় জুরাছড়ি জোনের সৌজন্যে বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্ধোধন করেন প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার লেঃকর্ণেল তানভীর হোসেন পিএসসি। সভায় লেঃকর্ণেল তানভীর হোসেন বলেন,এমন একটি সময় ছিল পার্বত্য চট্রগ্রামে অস্থিতিশিল পরিবেশ। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী অবসানারের লক্ষ্যে আজকের এইদিনে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা হয়। চুক্তির ৭২ টি ধারার মধ্যে ৪৮ টি ধারা বাস্তবায়ন হয়েছে,বাকী ১৫ টি ধারা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে বলে জানান।পার্বত্য শান্তি চুক্তির সুফলের কারণে বর্তমানে পার্বত্য এলাকায় অনেক উন্নয়ন ত্বরানিত হচ্ছে বলে জানান।আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন,মেজর মোঃনাসমুস সালেহীন সৌরভ ও প্রথাগত হেডম্যান জনপ্রতিনিধি বৃন্দ।

এছাড়াও জুরাছড়ি উপজেলার সর্বসাধরনের উদ্যোগে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইমন চাকমা সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি রনজিৎ কুমার দেওয়ান বলেন,আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদের অনেক প্রবিধান এখনো অসংগতি রয়েছে। আঞ্চলিক পরিষদের সকল ক্ষমতা থাকার প্রবিধান থাকলেও অকার্যকরভাবে রাখা হয়েছে।

জুরাছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা বলেন,পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতি অনেক আশা প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছিল। কিন্ত দীর্ঘ ২২ টি বছর পূর্ণ হলো এখনো পুনাঙ্গভাবে চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়িত না হওয়াতে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি আহব্বান জানিয়ে বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার উপড় পার্বত্যবাসীর এখনো অগাধ বিশ^াস রয়েছে,আপনার পার্বত্যবাসীর প্রতি আন্তরিক রয়েছে এটা আমরা জানি,তাই চুক্তির পুনাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহব্বান জানান।