কি সুন্দর এক্কান ঘর গড়ি দিয়ি, শেখ হাসিনারে আঁর ধইন্যবাদ দিউ বাজী!

॥ হাটহাজারী প্রতিনিধি ॥

ইউএনও রুহুল আমিনের মানবিক উদ্যোগে ঘর পেল এক বৃদ্ধ মহিলা। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলাধীন গুমানমর্দন ইউনিয়নের প্রায় ৬৪ বছর বয়স্ক বৃদ্ধা সখিনা বেগমের বাড়ী ছিল হালদা নদীর পাড়ে। সরকার হালদা নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার সময় বৃদ্ধার ঘরটি ভাঙনের কবলে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে প্রকল্পটি দেখতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) ওই প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শনকালে বৃদ্ধার আকুতি শুনে ইউএনও দুর্যোগ সহনীয় ঘরটি অসহায় বৃদ্ধাকে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

তিনি বিষয়টি গুমানমর্দন ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানকে অবহিত করে একটি জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। পরে জায়গার ব্যবস্থা হলে, ইউএনও সেই জায়গায় বৃদ্ধার জন্য উপজেলা প্রশাসন দুর্যোগ মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রদত্ত দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মান করে মাথা গোজার ঠাই করে দেন।

ইউএনও রুহুল আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলার গুমানর্মদন ইউনিয়নর অসহায় বয়স্ক সখিনা বেগমের সাথে আমার দেখা হয়েছিল গত কয়েকমাস আগে হালদার তীরের বেড়িবাঁধের উপর। তিনি আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জানিয়েছিলেন,তার একমাত্র ঘরটি বেড়িবাঁধে চলে গেছে। তিনি সরকারীভাবে একটি ঘরের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। বিষয়টি আমি আমলে নিয়ে উপজেলায় দুর্যোগ সহনীয় ঘরের বরাদ্দ যখন পাওয়া গিয়েছিল সেই ঘরটি যখন করতে গেলাম তখন জানা গেল তার জমিই নাই।

গুমানমর্দন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান একজন ভূমি মালিকের কাছ থেকে জমির ব্যবস্থা করে দিলেন। জমি পেয়ে বৃদ্ধাকে দুর্যোগ মন্ত্রনালয় হতে ঘরটি নির্মান করে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত ঘরে তিনি আজ উঠেছেন,আমাকে দাওয়াত দিয়েছেন।যখন গেলাম আমাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে তিনি খুশি হয়ে বললেন, এ বয়সত এক্কান মাথা গুজিবার ঠাই চাইলাম অথচ শেখ হাসিনা আঁরে কি সুন্দর এক্কান ঘর গড়ি দিয়ি, তারে আঁর ফক্কতত্তুন ধইন্যবাদ দিউ বাজী (এই বয়সে সামান্য একটু মাথা গোজার ঠাই চেয়েছিলাম অথছ কি সুন্দর একটা বাড়ি দিল আমাকে শেখ হাসিনা তারে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ দিও বাবাজি)।

ইউএনও রুহুল আমিন বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকালে বৃদ্ধা সখিনা বেগমকে ঘরটি বুঝিয়ে দেন।