রাঙামাটি শহরে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা নাসিরকে দল থেকে বহিস্কার

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাঙামাটিতে জেলা যুবলীগের শীর্ষনেতাদের নাম ভাঙিয়ে ব্যবসায়িদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে যুবলীগ নেতা মোঃ নাসির উদ্দিনকে দল থেকে বহিস্কার করেছে। সোমবার (১৩জানুয়ারী ২০২০ইং) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ আওয়ামী-যুবলীগ, রাঙামাটি পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব খাঁন শিবলু’র স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিবৃতিতে বলা হয়, মোঃ নাসির উদ্দিন আওয়ী-যুবলীগের গঠনতন্ত্রের নিয়ম শৃঙ্খলা বর্হিভূত কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি রাঙামাটি শহরের বানিজ্যিক এলাকা বনরূপাস্থ বন বিভাগ সড়কে (ফরেষ্ট কলোনী কবরস্থানের সামনে) ফুটপাতের বিভিন্ন দোকান হইতে জেলা যুবলীগের বিভিন্ন নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাঁদাবজি করে আসছেন। যাহা পৌর যুবলীগ’র একাধিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। তাই নাসির উদ্দিনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের ভাবর্মূর্তি ক্ষুন্ন করার দায়ে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। ভবিষ্যতে মোঃ নাসির উদ্দিনের কোন অপকর্মের দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ আওয়ামী-যুবলীগ, রাঙামাটি পৌর শাখা বহন করবে না বলেও জানানো হয়।

বহিষ্কার বিষয়ে যুবলীগ নেতা মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক সৈনিক। দলীয় নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে সততার সঙ্গে দীর্ঘ ২ যুগ ধরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। রাঙামাটি জেলা যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরী’র প্রত্যেকটি দিক-নির্দেশনায় আমি দলের দায়িত্ব পালন করে আসছিলাম। দলের প্রত্যেকটি স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরব উপস্থিত থেকে আমি রাজনীতি করে আসছি।

সভাপতি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত স্থানে ফুটপাতে (ফরেষ্ট কলোনী কবরস্থান সংলগ্ন) গরীব, দুঃস্থদের দোকান বসার জন্য সহযোগিতা করেছি। এখ পর্যন্ত দোকানদারদের আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু হঠাৎ রাজনৈতিক মত-বিরোধের জেড়ে (গ্রুপিং) আমাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি জেলা যুবলীগকে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে পুনরায় তদন্ত করার অনুরোধ জানান।