২০২০ সালের মধ্যে কেপিএমকে আধুনিকায়ন করা হবেঃ শিল্প প্রতিমন্ত্রী

॥ নূর হোসেন মামুন ॥

কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনাস্থ ঐতিহ্যবাহী কর্ণফুলী পেপার মিলসকে বাঁচিয়ে রাখা উচিত মন্তব্য করে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান এই দেশে ব্যাপক পরিমাণে শিল্প প্রতিষ্টান গড়ে উঠুক। কেপিএম বন্ধ হলে কাগজের বাজার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দখলে যাবে। ২০২০ সালের মধ্যে কেপিএমকে আধুনিকায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে যে মানের কাগজ উৎপাদন করা হচ্ছে তা দিয়ে প্রতিষ্টানটিতে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদিও পরিশোধ করা অসম্ভব বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, মানসম্মত কাগজ এখানে তৈরী হবে।

বুধবার কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটিতে আরও মান সম্মত কাগজ তৈরীর সম্ভাব্যতার কথা উল্লেখ করে শিল্প প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইউরুপের কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কর্ণফুলী কাগজ কলকে শীঘ্রই আধুনিকায়ন করা হবে। সেক্ষেত্রে কেপিএমে পূর্বে চাকরিচ্যুতো শ্রমিক কর্মচারীদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। এদিকে বর্তমানে যে যন্ত্রপাতি দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে তার মাধ্যমে মান-সম্মত কাগজ উৎপাদন করা অসম্ভব। বর্তমানে কেপিএম একটি লোকসানী প্রতিষ্টান। কোটি কোটি টাকা এখানে ক্ষতি হচ্ছে। আমরা লাভ চাইনা। আমরা চাই এই প্রতিষ্টান থেকে অন্তত প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারীরা যেনো তাদের বেতন ভাতা চালাতে পারে। আমরা চাই কেপিএম স্বফং সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এছাড়া এখানে দূর্ণীতি ও স্বজনপ্রীতি যা আছে তা বন্ধ হবে।

পরে কর্ণফুলী পেপার মিলস লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এমএমএ কাদেরের সভাপতিত্বে কেপিএম রেষ্ট হাউজ সভাকক্ষে প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারী ও উপজেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ডাস্টিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. হাউয়ুল কাইয়ুম, কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হক, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল, কাপ্তাই উপজেলা আ.লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, কেপিএম সিবিএ সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক, কেপিএম সিবিএ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, কাপ্তাই থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাছির উদ্দিন সহ আরও অনেকে।