হাটহাজারীতে ফুলকপির বাম্পার ফলন

॥ হাটহাজারী প্রতিনিধি ॥

কপিক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক উৎপাদন খরচ কম তাই চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কপি চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকরা। কপি চাষে এবার লাভের আশা করছেন তারা। কপি চাষে অন্যান্য ফসলের চেয়ে খরচ ও খাটুনি দুটোই কম। গত কয়েক বছর ধরে ধানের জমি গুলো ধানের চাষে তেমন একটা সফলতা না পাওয়ায় এ বছর সেখানকার বেশি ভাগ চাষী সবজি চাষে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। এ কারণে আমন ধান আবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন কৃষক। ধানের বদলে সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন তারা। সবজির মধ্যে ফুলকপি এখন মুখ্য ফসল।

এই মৌসুমে অনাবাদী ও উঁচু জমিতে কপি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। মাচা পদ্ধতির মাধ্যমে ভাদ্র মাসেই তারা চারা তৈরি শুরু করেন। এরপর আশ্বিনের শুরু থেকেই কপির আবাদে ব্যস্ত ছিলেন তারা।

পৌর এলাকার সদরের মধ্যম দেওয়ান নগর এলাকায় সবজি চাষি রহিম আলী (৩০) জানান, চলতি মৌসুমে তিনি কপির চাষ করেছেন ১০ গন্ডা জমিতে। সরেজমিন তাকে কপির ক্ষেতে লোকজন নিয়ে কাজ করতে দেখা যায়। কিছুদিনের মধ্যে কপিতে ফুল আসবে বলে আশা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ধান আবাদ করে লাভ তো দূরের কথা, খরচের টাকা তুলতেই হিমশিম খেতে হয়।’

তার মতো অনেকেই আমন ও বোরো ধানের পরিবর্তে সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পৌর এলাকার মধ্যমদেওয়ান নগর,পূর্ব দেওয়ান নগর,আলমপুর,মোহাম্মদপুর,ফটিকা,১১ মাইল,আলীপুর এলাকায় গেলে এমন চিত্র দেখা যায়। পূর্ব দেওয়ান নগর মুসলিম মিয়া বলেন, ৫ গন্ডা জমিতে কপি চাষে খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা।
স্থানীয় এলাকার সচেতন লোকজন জানান, দাম ও ফলন দুটোই ভালো হওয়ায় এখানকার কৃষকদের বাঁধাকপি, ফুলকপি অন্যান্য সবজি চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটছে।