জ্ঞানেন্দু’র হাত ধরে পাল্টে যাচ্ছে জুরাছড়ি

॥ স্মৃতিবিন্দু চাকমা ॥

জুরাছড়ি উপজেলায় অতীতের চাইতে বর্তমানে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেকটা চিত্র পাল্টে গেছে। ১৯৮৯ সালে জুরাছড়ি উপজেলা থেকে স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল প্রয়াত কিনা মোহন চাকমাকে, তিনি প্রায় ৬বছরের অধিক সদস্য পদে নিয়োজিত ছিলেন। তারপর হইতে দীর্ঘ ১৫ বছরের অধিক পর্যন্ত আর কোন সদস্য জুরাছড়ি উপজেলা থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

বিগত ২০১৫ সালে ২৯ মার্চ বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমাকে নিয়োগ দেওয়ার পর হইতে জুরাছড়ি উপজেলার অনেকটা উন্নয়নের উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। অতীতে এই প্রত্যন্ত জুরাছড়ি উপজেলায় কোন বিশ্রামাগার ছিলনা, জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ পাওয়ার পর বর্তমানে দ্বিতল ভবন বিশ্রামাগার করা হয়েছে। এছাড়াও সুবলং খাগাড়াছড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৭০লক্ষ টাকা বরাদ্দ, সুবলং শাখা বনবিহারে নতুন দ্বিতল ভবন নির্মান, আমতলী বনবিহারে নতুন ভবন নির্মান, ডেবাছড়ি বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষু নিবাস নির্মান, শুকনাছড়ি বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষুশালা নির্মান ও পাইপ লাইনের মাধ্যেমে পানি সুব্যবস্থা করণ, পানছড়ি ভুবনজয় মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন ও ওয়াল নির্মান, লুলাংছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিড়িঁ নির্মান, কসুমছড়ি বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষুদের আবাসিক ভবন নির্মান, ডেবাছড়া বৌদ্ধ বিহারে মন্দির নির্মান, মিটিংগাছড়ি গ্রামে জমির সেচ সুবিধার্তে ড্রেন নির্মান, শালবাগান গ্রামে পানি সাপ্লাই সুব্যবস্থাকরণ, হাজাছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিড়িঁ সুব্যবস্থাকরণ, মধ্যবালুখালী গ্রামে পাকা রাস্তা নির্মান, অর্কোপল ক্লাবের কমিনিউটি সেন্টার নির্মান,ধামাইপাড়া দয়ামোহন স্মৃতি ক্লাব নির্মান,বড়ইতলী গ্রামে পানি সাপ্লাই সুব্যবস্থা,রাস্তামাতা গ্রামে পানি লাইনের সুব্যবস্থা করণ সহ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগাড় ভবনের চলমান কাজ এবং মৎস্য চাষীদের সুবিধাত্বে পুকুর খনন সহ অসংখ্য উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন মলে মত প্রকাশ করেছেন জুরাছড়ি উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন।

জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ দেওয়ার পর হইতে সকলের সার্বিক সহযোগিতায় যতটুকু সম্ভব উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি,আগামীতেও যাহাতে এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে এজন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।