ব্রেকিং নিউজ

জেলা প্রশাসকের বদান্যতায় বই মেলায় নিজেদের স্টল পেলো রাঙামাটির লেখকেরা

বইমেলার সময়সীমা বৃদ্ধির দাবী লেখক পাঠকদের

॥ ইকবাল হোসেন ॥

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদের বদান্যতায় বই মেলায় নিজেদের স্টল পেলো রাঙামাটির লেখকেরা। রাঙামাটিতে চলমান ৩দিন ব্যাপি ‘অমর একুশে বই মেলা ২০২০’ এ প্রথমবারের মতো জেলার লেখকদের জন্য ‘লেখক কর্ণার’ নামে স্টলের ব্যবস্থা করেছেন ডিসি মামুন। যার ফলে পূর্বের মতো আলাদা আলাদা সংগঠনের ব্যনারে স্টল না দিয়ে সকল কবি সাহিত্যিকরা একই স্টলে বসছেন এবং আড্ডায় মেতে উঠছেন। এছাড়াও রাঙামাটির সকল লেখকদের প্রকাশিত বই ও লেখকদের একই স্টলে পেয়ে উচ্ছসিত মেলায় আসা পাঠকরা।

এদিকে রাঙামাটী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও পার্বত্য কাব্য’র উপদেষ্টা কবি হাসান মঞ্জুর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমাদের জেলা প্রশাসক একজন সাদা মনের মানুষ কারণ শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি প্রতি সপ্তাহের বুধবার গণশুনানী মিস করেন না ও প্রায়ই দেখা যায় তিনি প্রত্যান্ত উপজেলায় গিয়ে নিজে পায়ে হেটে বিভন্ন স্কুল কলেজ পরিদর্শন করছেন ওতাদের সমস্যা সমূহ সমাধানের ব্যবস্থা করছেন আশা করি এটিই তার উদারতার পরিচয় বহন করে।

তিনি আরো বলেন এবার বই মেলায় আমরা কবিরা নিজ নিজ সংগঠনের জন্য স্টল বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু জেলা প্রশাসক আমাদের ফোন করে ডেকে এনে বললেন আপনাদের জন্য যদি আমি স্টল বরাদ্দ দেই তবে আপনাদের জন্য আমি যেই ‘লেখক কর্ণার’ করেছি সেখানে কারা বসবে? ওনার কথা শুনে আমরা অনেক খুশি হয়েছি এবং সবাই লেখক কর্ণারে একই প্লাটফর্মে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এজন্য আমি আমার ব্যক্তিগত ও সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আগামী বই মেলার সময় আরো বাড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন জানান।

অপরদিকে পার্বত্য কাব্য’র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক কবি রেজাউল করিম বলেন, আমি প্রথমেই জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বই মেলা জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণ হতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানান্তর ও লেখক কর্ণার করায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ রাঙামাটিতে প্রথমবারের মতো লেখক কর্ণার করায় আমরা সকল কবিরা একই প্লাটফর্মে বসতে ও আড্ডায় মেতে উঠতে পারছি। যার ফলে রাঙামাটির লেখকদের বই ঢাকা বা চট্টগ্রাম যেখানেই প্রকাশিত হয়ে থাকুক না কেন পাঠকরা এখানে একটি স্টলেই সেসকল বইগুলো পাচ্ছে। এতে করে পাঠকরা যেমন উপকৃত হচ্ছে তেমনি আমরাও উপকৃত হচ্ছি। পরিশেষে তিনি জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি আগামীতে বই মেলায় সময় বাড়ানোর কথা বলেন।