ব্রেকিং নিউজ

সেনা টহলে হামলাকারি সন্ত্রাসী অর্পনের মরদেহ রাঙামাটির মর্গে:দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ গুলি উদ্ধার

॥ আলমগীর মানিক ॥

রাঙামাটির বন্দুকভাঙ্গায় টহলরত সেনাসদস্যদের উপর গুলি বর্ষণের সময় পাল্টাগুলি বর্ষণে নিহত ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী অর্পণ চাকমার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। বুধবার বিকেলে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসা হয়।

এসময় সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে কোতয়ালী থানার এসআই আল-আমিন জানিয়েছেন, বুধবার ভোররাতে সেনা সদস্যদের উপর গুলি বর্ষণের পর টহলরত সদস্যরা পাল্টাগুলি ছুড়লে অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে অর্পন চাকমা নিহত হয়েছে।

খবর পেয়ে বুধবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেলে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে রাঙামাটি নিয়ে আসে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ম্যাগজিন ভর্তি একটি বিদেশী পিস্তল ও দেশীয় তৈরি একটি এলজিসহ ব্যাগভর্তি বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে এসআই আল-আমিন জানান, নিহতের শরীরে পাঁচটি গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত অর্পন চাকমা ওরফে বাবুধন চাকমা এবং তার সহযোগীরা বিগত তিন থেকে চার মাস ধরে বন্ধুকভাঙ্গা এলাকায় নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগনের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করত।

অর্পন চাকমা ওরফে বাবুধন চাকমা ইউপিডিএফ (মূল) এর সশস্ত্র শাখার সক্রিয় সদস্য। সে ২০১৮সালের ০৩মে নানিয়ারচরে সংঘঠিত চাঞ্চল্যকর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম প্রধান আসামি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখেও একই এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অন্তর্দলীয় কোন্দলের ফলসরূপ গোলাগুলিতে সুমন চাকমা নামে ইউপিডিএফ (মূল) এর এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল।