ব্রেকিং নিউজ

রাঙ্গামাটিতে চালের দাম বেড়েছে বস্তা প্রতি ১৫০-২৫০ টাকা!

॥ মাসুদ পারভেজ নির্জন ॥

নোভেল করোনা ভাইরাস আতঙ্কে হঠাৎ করেই রাঙামাটিতে সব ধরনের চালের দামে ২-৫ টাকা ও বস্তায় ১৫০-২৫০ টাকা করে বেড়ে গেছে।দেশে যে কোনো সময় অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে এমন গুজবে গত কয়েকদিন ধরে রাঙামাটি শহরের খুচরা ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

শহরের রিজার্ভ বাজার,তবলছড়ি বাজার ও বনরুপা বাজার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,

আঠাশ বেতি চালের পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪২ টাকা বর্তমান মূল্য ৪৫ টাকা,

১ নাম্বার মিনিকেট চালের পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪৮ টাকা বর্তমান মূল্য ৫২ টাকা,

পারিসিদ্ধ পূর্বের মূল্য প্রতিকেজি ৩৯ টাকা বর্তমান মূল্য ৪২ টাকা,

মিনিকেট হাফ সিদ্ধ পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪৮ টাকা বর্তমান মূল্য ৫০ টাকা,

মোটা আতপ পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৩০ টাকা বর্তমান মূল্য ৩৫ টাকা,

সিদ্ধ (চিকন) পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪৫ টাকা বর্তমান মূল্য ৫০ টাকা,

সিদ্ধ(মাঝারি) পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪০ টাকা বর্তমান মূল্য ৪২ টাকা,

আরো পড়ুনঃ রাঙ্গামাটির বাজারঃ ম্যাজিস্ট্রেটের পা পড়লে দাম কমে সড়লে বাড়ে!

সিদ্ধ মোটা পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৩০ টাকা বর্তমান মূল্য ৩৫ টাকা,

বেতী চাউল পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪০ টাকা বর্তমান মূল্য ৪২ টাকা,

মিনিকেট পারিসিদ্ধ পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪০ টাকা বর্তমান মূল্য ৫০ টাকা,

কাটারি পাইজার পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৬০ টাকা বর্তমান মূল্য ৬২ টাকা,

বাসমতী আতপ চাউল পূর্বের মূল্য প্রতি কেজি ৪৫ টাকা বর্তমান মূল্য ৪৭ টাকা।

মূল্য বৃদ্ধি ব্যাপারে বিক্রেতারা জানান,পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।এক বস্তা চাউলের মধ্যে ৫০ কেজি লেখা থাকলেও তাতে বরাবর ৫০ কেজি থাকেনা,এছাড়াও বহন খরচ সবগুলো যোগ হয়েও যদি কিছু পরিমান লাভ করতে না পারি তাহলে ব্যবসা করার থেকেও না করা ভালো।গুজবের কারনে আমরা দাম মোটেও বাড়াচ্ছিনা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে তাই বেশি করে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ,বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হওয়া স্বত্তেও চালের দাম বৃদ্ধি মোটেও কাম্য না।করোনার মত পরিস্থিতে ব্যবসায়ীদের উচিত নায্য দামে বিক্রি করা।