কেউ পাচ্ছে দুই থেকে তিনবার অথচ নূর জাহানের ভাগ্যে ত্রাণ জোটেনি একবারো!

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

কখনো ঘরের ভাঙ্গা জিনিস বিক্রি করে, কখনো বা প্রতিবেশীর দুয়ারে গিয়ে খাবার খুজে খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন নূর জাহান বেগম(৭০)। ২ নং ওয়ার্ডে নিচের রাস্তায় লাইস মিয়ার ভাড়া বাসায় কোনোমতে দিন কাটে তার।প্রতিবেশীদের সহানূভুতিতে খেয়ে পড়ে ঘরের এককোনায় পড়ে থাকেন সারাদিন। স্বামী জয়নাল আবেদীন ১৫ বছর আগে পরলোক গমন করলে জীবন নামক গল্পে অন্ধকার নেমে আসে। সন্তান না থাকায় একাকীত্ব আর অসহায়ত্ব যেন সব তাকেই ঘিরে রেখেছে।প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ফলে অনেকেই এখন এড়িয়ে চলে তাকে। সবাই ত্রাণ পেলেও ত্রাণের একটি দানাও পাতে পড়েনি তাঁর। বিধবা বা বয়স্ক ভাতাও পাননি কখনো, এইসব কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

শুধু নূর জাহান বেগমের নয় রাঙামাটি শহরের ২নং ওয়ার্ডের বেশির ভাগ অসহায় পরিবারেরি প্রায় একই অবস্থা। অভিযোগ আছে, অনেক অবস্থা সম্পন্ন একই পরিবারের সদস্যরা ঘুরে ফিরে ২ থেকে ৩ বার ত্রাণ পাচ্ছে অথচ যারা গরীব অসহায় তাদের কপালে জোটেনি ত্রাণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২ নং ওয়ার্ডের এক ব্যক্তি জানান, ত্রাণ বিতরনে গরীব অসহায় দেখে দেওয়া হচ্ছেনা বরং পাতিনেতাদের স্বজনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাইলেও প্রতিবাদ করতে পারছিনা।

২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর করিম আকবর জানান, আমার ২নং ওয়ার্ড অনেক বড়। কালকে আবারো কার্ড বিতরণ করা হবে। তখন নূর জাহানের নাম যোগ করে উনাকেও ত্রাণ দেওয়া হবে।