অটলের খোঁজ নিলেন ইউএনও, নিজের গাড়ীতে পৌঁছে দিলেন ত্রাণ

॥ বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সরকারী আদেশে পুরোদমে হোমকোয়ারাইন্টিন চলছে, প্রাণ ঘাতি করোনা ভাইরাস  থেকে বাঁচতে সরকার যেখানে স্কুল কলেজ, অফিস আদালত সব ছুটি ঘোষনা করেছেন, সেখানে ছুটির কথা ভুলেই নিরলস ভাবে কাজ করে চলছেন, বাঘাইছড়ি  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু, ত্রান নিয়ে ছুটে চলেছেন পাহাড়ের এক প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে, এই দুর্দিনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের  জোড়ালো ভূমিকায় দেখা না গেলেও পাহাড় কিংবা সমতলে ভয়ডর হীন ভাবে চসে বেড়াচ্ছেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু, অসহায়দের খবর নিয়ে  নিজ গাড়ীতে ত্রান নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন বাড়িতে বাড়িতে, সরেজমিন ঘুরে দেখাযায় দিনের পুরোটা সময় কোন, না কোন এলাকায় হোমকোয়ারাইন্টিন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সস্ত্রবাহিনীর সহায়তায় অভিযান,  পরিচালনা করছেন এর ফাঁকেই ছুটে যাচ্ছেন অসহায় দের মাঝে ত্রাণ নিয়ে।
তেমনি এক অসহায় পরিবার রুপকারী ইউনিয়নের ঝগড়া বিল এলাকার বাধি চান চাকমা, জীবন জিবিকার তাগিদে থাকেন মারিশ্যা দিঘিনালা সড়কের ১৪ কিলোতে, সাজেক থেকে ত্রাণদিয়ে ফেরার পথে বৈদ্যুতিক দুর্গটনায় দুই হাত হারানো অটলকে দেখে গাড়ী থামিয়ে খোজ নিয়ে জানাযায় বাড়ীতে কোন খাবার নেই,  সাথে সাথেই নিজের গাড়ীতে থাকা ত্রানের সামগ্রী তুলেদেন অটলের পিতার হাতে, খাবার হাতে পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেন নি অসহায় এই পরিবারটি চোখের পানি ফেলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, কোন জনপ্রতিনিধি খোজ না নেয়ায় কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু বলেন সরকার প্রচুর ত্রান দিচ্ছে কেও না খেয়ে থাকবেনা, এছাড়া নিজ উদ্যোগে একটি ফান্ড গঠনের কথাও জানান এরই মধ্যে ফান্ডে অর্ধলক্ষ টাকা জামা হওয়ার কথাও বলেন আরো টাকা পেলে জেলা প্রশাসকের সাথে সমন্নয় করে অসহায়দের মাঝে ত্রান দেয়া হবে।