ব্রেকিং নিউজ

জনসেবায় নিয়োজিত আছেন মিজানুর রহমান বাবু

॥ শহিদুল ইসলাম হৃদয় ॥

সারা দেশে ন্যায় রাঙামাটিতেও চলছে অঘোষিত লকডাউন। করোনা ভাইরাসের কারনে পাহাড়ে বসবাসরত দিন মজুররা কর্মহিন হয়ে পরায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে জেলার জনপ্রতিনিধিরাও। রাঙামাটি ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বাবুর কার্যক্রমে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

তবলছড়িস্থ ৪ নং ওয়ার্ডে ২ হাজার ৫০০ হত দরিদ্র পরিবারের বসবাস। কিন্তু ইতিমধ্যে পৌরসভা ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রায় ১০০০ হাজার পরিবারকে ত্রান সমগ্রী পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তার ওয়ার্ডে বেশির ভাগ দুস্থপরিবার হয়ার দরুণ ত্রান সমগ্রী দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কাউন্সিলর বাবু।

সিএইচটি টাইমস টোয়েন্টিফোর ডট কমের প্রতিবেদককে বাবু জানান, আমার এলাকার যারা হতদরিদ্র পরিবার থেকে প্রায় ১০০০ পরিবারের মাঝে আমি ত্রান পৌঁছে দিয়েছি। কিন্তু আমার ওয়ার্ডে হতদরিদ্র পরিবারের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে আমার কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তারপরও আমি ধাপে ধাপে আমার কাছে যা ত্রান সমগ্রী আসছে প্রতিনিয়ত তাদের মাঝে বিতরণ করে যাচ্ছি এবং লকডাউনের পর যত দিন গড়াচ্ছে ততঅচল হওয়া পরিবারকে আগে তালিকাভুক্ত করে ত্রান পৌঁছে দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে ৪ ধাপে ৫০৫ টি পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করেছি। রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে আমার ওয়ার্ডের জন্য পাওয়া ১০০ পরিবারের ত্রানও ইতিমধ্যে বিতরণ করা হওয়েছে। অন্যান্য মাধ্যম থেকে পাওয়া ত্রানও ৪ নং ওয়ার্ডের ৪০০ হতদরিদ্র পরিবারকে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও তার নিজ ওয়ার্ডের মানুষকে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ থেকে রক্ষা করতে পৌরসভার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে ৩ টি হাত ধোয়ার বেসিন এবং ওয়ার্ডের ২২ টি পাড়া মহল্লায় করোনা ভাইরাসের নির্দেশনা মূলক লিফলেট, মাস্ক বিতরণ ও জীবাণু নাশক স্প্রে করা সহ প্রতিদিন হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে ওয়ার্ডের অলিগলিতে মাইকিং করে সবাইকে বাসায় থাকা ও বিনা কারণে ঘুরাঘুরি না করার নির্দেশও দেন তিনি।